বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের আগে প্রয়োজন সম্যক পর্যালোচনা অস্ত্রোপচারের পর নিজের অনুভূতি জানালেন তানিয়া বৃষ্টি বিকেএসপিতে জুনিয়র টিটি দলের প্রশিক্ষণ শুরু সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানাকে জিজ্ঞাসাবাদের আহ্বান জামায়াতের দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপির সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, কমলো ৫০ শতাংশ লাইট-এসি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমানোর চেষ্টা আটকে গেল মার্কিন সিনেটে সায়েদাবাদে মাদক কারবারির গুলিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক গুরুতর আহত নড়াইলে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে ইটভাটার শ্রমিকের মৃত্যু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় জামিল রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক :: রাজধানী ঢাকাস্থ ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাফায়াত জামিলের (২২) এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তদন্তকারি কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জামিলের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসির আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন শাফায়াত জামিল। সেদিন আদালতে হলফনামা দিয়ে মামলায় সম্পৃক্ততার ইচ্ছা প্রকাশ করেন শাফায়াত। এরপর বিচারক এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল চারটায় মর্তুজা রায়হান ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই শিক্ষার্থী এবং রায়হান একসঙ্গে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই শিক্ষার্থীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, মদপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন রায়হান। এ সময় রায়হানের বন্ধুরাও কক্ষে ছিলেন।

ধর্ষণের পর রাতে ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তাকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দু’দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

৩১ জানুয়ারি চারজনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন নিহত শিক্ষার্থীর বাবা। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়।
সূত্র : বাসস
এসএ/


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: