বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:১০ অপরাহ্ন

স্বাভাবিক হচ্ছে মালয়েশিয়া

নিউজ ডেস্ক :: করোনা মহামারিতে স্থবির হয়ে পড়া মালয়েশিয়ার জনজীবন আবারও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। লকডাউনের শুনশান নিরবতা ভেঙ্গে ব্যস্ততম কুয়ালালামপুর ফিরতে শুরু করেছে চেনা রুপে। বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলেও দেশীয় ভ্রমণ পিপাসুদের ভিড়ে মুখরিত মালয়েশিয়ার দর্শনীয় স্থানগুলো।

দীর্ঘ প্রায় দু’বছর পর বিনা অনুমতিতে ভিসাধারীদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি মিলেছে, করোনাকালীন সময়ে আটকে পড়াদেরও সহজে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ ক্যাম্পাসে ফিরতে শুরু করেছে। এছাড়া পর্যটক নির্ভর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও খুলতে শুরু করেছে। রাজধানী কুয়ালালামপুরের রাতে জেগে থাকা বুকিত বিনতাংও এখন বেশ জমজমাট। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মানুষের ভিড়ে মুখরিত থাকে বুকিত বিনতাংয়ের হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট, বার ও ম্যাসাজ সেন্টারগুলো।

এছাড়া পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার, মারদেকা স্কয়ার, চায়না টাউন, সেন্ট্রাল মার্কেটও এখন জমজমাট। কুয়ালালামপুরের বাইরের রাজ্যের দর্শনীয় স্থানগুলোও এখন ভ্রমন পিপাসুদের ভিড়ে মুখরিত।

দেশীয় পর্যটকদের আকর্ষণ করতে এয়ার এশিয়া তো রিতিমতো নামমাত্র টাকায় অভ্যন্তরীণ রুটের টিকিট বিক্রি করছে। এছাড়া কুয়ালালামপুর থেকে বিভিন্ন রাজ্যের দর্শনীয় স্থান ভ্রমনে তিন থেকে পাঁচ তারকা হোটেলে থাকা, যাওয়া-আসার টিকিটসহ বিভিন্ন প্যাকেজেরও প্রচারণা চালাচ্ছে কয়েকটি ট্রাভেল এজেন্সি।

করোনার ধকল কাটিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার পর স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরাও মুক্ত বাতাসের স্বাদ নিতে পাহাড় কিংবা সমুদ্র ভ্রমনে ছুটছে পরিবার, পরিজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে।

উল্লেখ্য, অনিন্দ্য সুন্দর পাহাড়, সমুদ্র আর সমতলভুমির অসাধারণ এক দেশ মালয়েশিয়া। প্রতি বছর কয়েক লাখ পর্যটক দেশটি ভ্রমনে আসে। পর্যটন খাত থেকে বিপুল পরিমান আর্থিক আয়ে দেশটির জিডিপিতেও অবদান রাখে। তবে করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক রুটের বিমান চলাচলে সীমাবদ্ধতা আনে দেশটি। একই সঙ্গে বিদেশিদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশেও আসে নিষেধাজ্ঞা।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি