শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
গাজীপুর প্রেসক্লাবে মাসুদুল হক সভাপতি, মাহতাব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত রেল লাইনে পাথর নেই, মারাত্নক ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে ট্রেন ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিহ্মোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় দেশে পরিবেশ বান্ধব কৃষি ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আহবান বোপমা সভাপতির হাতীবান্ধায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার মূল আসামী শাহিন গ্রেফতার সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বরিশালে আ.লীগের বিক্ষোভ মিছিল খেলাপি বৃদ্ধির শীর্ষে ২০ ব্যাংক বিমানবন্দরে ভক্তদের উদ্দেশ্যে যা বললেন শাকিব খান বরিশাল শেবাচিমে অধ্যক্ষের কার্যালয় ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ তেলের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন: বাণিজ্যমন্ত্রী

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে ছাড়

নিউজ ডেস্ক :: নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিতরণ করা ঋণ বা লিজের অর্থ বা কিস্তি আদায়ে শর্ত সাপেক্ষে ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিস্তি পরিশোধের প্রদেয় সময়ের মধ্যে কিছু অংশ পরিশোধ করা হলে ওই গ্রাহককে আর খেলাপি করা হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিস্তির অংশ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে ওই গ্রাহককে খেলাপি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া ও দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে বন্যার কারণে অনেক উদ্যোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। যে কারণে অনেকের কিস্তি পরিশোধের সক্ষমতা কমে গেছে। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ছাড় দিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, এর আগে ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির কমপক্ষে ২৫ শতাংশ আলোচ্য বছরের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধিত হলে ওই গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরে ওই সুবিধা আর কার্যকর নেই। সে হিসেবে চলতি বছরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ বা কিস্তি পরিশোধ ব্যর্থ হলে ওই গ্রাহক খেলাপি হবেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে করোনার সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় ও সাম্প্রতিক বন্যার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে অনেকের পক্ষে ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এসব বিবেচনায় শর্ত সাপেক্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের ঋণ বা লিজের অর্থ পরিশোধে ছাড় দেওয়া যাবে। এর মধ্যে গত ১ এপ্রিল পর্যন্ত যেসব ঋণ নিয়মিত রয়েছে কেবল সেইসব ঋণেই এ সুবিধা পাওয়া যাবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব কিস্তি প্রদেয় সেগুলো নির্ধারিত সময়ের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ পরিশোধ করা হলে ওই গ্রাহককে খেলাপি করা হবে না। পরিশোধ না করলে খেলাপি হবেন।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে কৃষি, কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিতরণ করা ঋণের মধ্যে প্রদেয় কিস্তির কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নির্ধারিত সময়ের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধ করা হলে ওই গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না। পরিশোধ না করলে খেলাপি হবেন।

সর্কুলারে বলা হয়, আলোচ্য সময়ের মধ্যে ওই সুবিধা পাওয়া কোনো ঋণের বিপরীতে দণ্ড সুদ বা চার্জ আরোপ করা যাবে না। ওই শর্ত অনুযায়ী কোনো গ্রাহক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে খেলাপি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে (সিআইবি) জানাতে হবে।

এর আগে গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এক সার্কুলার জারির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ গ্রহীতাদেরকে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে মেয়াদি ঋণে কিছু ঋণ পরিশোধের শর্ত আরোপ করা হয়। কৃষি ঋণে শর্তহীণভাবে ঋণ পরিশোধে ছাড় ও নতুন ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত মাসে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতির নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বিশেষ ছাড় দেওয়ার দাবি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি