বিশেষ প্রতিনিধি : গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা সিডিআই প্রশিক্ষন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে বন ও আদিবাসী বিষয়ক সেড'র কর্মশালা।।মমম পার্বত্য চট্রগ্রাম, শালবন এলাকা, চট্রগ্রাম এবং কক্সবাজার এলাকায় যে নজীরবিহীন বনবিনাশ হয়েছে সে ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। বনভূমির একটি বড় অংশ কৃত্রিম বনায়ন, সামাজিক বনায়ন, ফল ও ফসলের আবাদ, রাবার চাষ ইত্যাদির আওতায় চলে গেছে।
বনবিনাশে যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তারা হলেন আদিবাসী এবং বন এলাকায় বসবাসকারী বাঙালীসহ অন্যরা। তারা তাদের সনাতনী ভূমির অধিকার হারিয়েছেন। বিশেষ করে শালবন এলাকা ও পার্বত্য চট্রগ্রামে। বিশ্বব্যাপী বনবিনাশ ও বনায়ন অর্থনীতি জলবায়ু পরিবর্তনেও বড় ভূমিকা রেখেছে।
বাংলাদেশ বন বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বনবিনাশ ও বনায়ন নিয়ে বিদেশী অর্থায়নে ও পরামর্শে নানা গবেষনা করেছে, প্রকাশ করেছে নানা রির্পোট। প্রথমত এসব রির্পোটে বনাঞ্চালে মানুষের অনুভূতি ও সংক্ষুব্ধ হবার চিত্র পরিস্কার নয়, অন্যদিকে এসব রির্পোট বনে বসবাসকারী গোষ্ঠীসমুহের হাতে খুব একটা পৌছায়ও না।
বনবিনাশের নানা চিত্র, বিভিন্ন বনাঞ্চলে সনাতনী ভূমি অধিকারের চিত্র, বনবিনাশের ফলে কীভাবে বনে বসবাসকারী গোষ্ঠীসমুহ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, বনভূমি ও সেখানে বসবাসকারী মানুষের সুরক্ষায় দেশি বিদেশি আইন ও সনদ কী আছে, সরকারের উদ্যোগ কৌশল কী চলছে, এবং পরিবেশ সুরক্ষার অনুকূলে বনে বসবাসকারী গোষ্ঠীসমুহের যেসব চর্চা ও উদ্ভাবন আছে সেসব বুঝা ও লিপিবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী একটি আবাসিক কর্মশালা আয়োজন করেছে সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট আ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (সেড)।
কর্মশালাটি ৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ অনুষ্ঠিত হবে। স্থান: কারিতাস ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট, ২ আউটার সার্কুলার রোড, শান্তিবাগ, ঢাকা। কর্মশালাটি সমন্বয় করেন সেড'র পরিচালক ফিলিপ গাইন, সহযোগীতা করেন সেড'র কর্মসুচি কর্মকর্তা রবিউল্লাহ রুবেল।