বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে উত্তরা থেকে শহীদ হয়েছে ৯২ জন। তাদের তালিকা তৈরি করে বিলবোর্ড সাটায় জুলাই রেভ্যুলেশন অ্যালায়েন্স। ১ বছর পর ২০২৫ জুলাই এসে সেগুলো ছিড়ে ফেলা হচ্ছে একাদিকবার। এমনই অভিযোগ উঠেছে সংগঠনের পক্ষ থেকে।
গণঅভ্যুত্থানে উত্তরা ছিল পাওয়ার হাউজ। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, প্রশাসনসহ কেউ দমিয়ে রাখতে পারেনি উত্তরার ছাত্রজনতাকে। গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিল ছাত্রজনতা। সেজন্যই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন রাজধানীর উত্তরায় ১৮ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ৯২ জন শহিদ হন।
জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স জানায়, উত্তরাতে শহীদদের তালিকা প্রকাশ করে বিলবোর্ড সাটাই। সম্প্রতি সেই বিলবোর্ড রাতের আধারে ছিড়ে ফেলেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। এর আগেও তালিকা ঝুলানো হলে রাতের অন্ধকারে তা ছিড়ে ফেলা হয়।এমনকি মুগ্ধ মঞ্চে কালি দিয়েছিল। সবার পরিচয়সহ সিসিটিভি ফুটেজ দেয়ার পরও গ্রেফতার হয়নি কেউ। প্রশাসন এই ব্যর্থতার কারণে ওরা আরো সাহস পাচ্ছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। আমি যারা এ অপকর্মে জড়িত রয়েছে তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।
উল্লেখ্য, উত্তরায় শহীদ ৯২ জনের মধ্যে ২৫ জন শিক্ষার্থী, ১৯ জন চাকরিজীবী, ১০ জন ব্যবসায়ী, ৫ জন গাড়ি বা রিকশাচালক, ২ জন মসজিদের ইমাম, একজন ডাক্তার, ১১ জন অজ্ঞাত এবং অন্যান্য ১৯ জন।
শহিদদের মধ্যে ১৮ জুলাই ২০ জন, ১৯ জুলাই ২২ জন, ৪ আগস্ট ৭ জন, ৫ আগস্ট ৪২ জন এবং ৭ আগস্ট ১ জন শহীদ হন। শহিদদের মধ্যে ২৬ জন ২১-৩০ বছর বয়সী, ১৮ জনের বয়স ৩১-৪০ বছর, ১০-২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ১৭ জন, ৪১-৫০ বছর বয়সী ১১ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ২ জন এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ও ১০ বছরের নিচে শহীদ রয়েছেন একজন করে।