অবশেষে শান্তিপূর্ন ও আনন্দঘণ পরিবেশে শেষ হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। এরপর চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্রে আগে থেকে ক্রস চিহ্ন দেওয়া ব্যালট নিয়ে শিবির ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেল।
এদিকে ভোটের শেষ সময়ে এসে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্টের সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী তাহমিনা আক্তার।
এদিকে ছাত্রদল প্যানেলের সহ–সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম ভোটদান শেষে অভিযোগ করেন ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে ব্যাহত করা হয়েছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি সুবিধাজনক মনে হচ্ছে না।
আবিদুল ইসলাম দাবি করেন, দুপুরে অমর একুশে হল এবং রোকেয়া হলে পূরণকৃত ব্যালট শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন। এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নির্বাচন কমিশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় সেগুলোর বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। পাঁচ ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ ভোটের বিপরীতে ১৩ ছাত্র হলে এই সংখ্যা ২০ হাজার ৯১৫ জন। ২৮টি পদের জন্য মোট ৪৭১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে ১৮টি হলে মোট পদের সংখ্যা ২৩৪টি। এসব পদে ভোটের লড়াইয়ে নামেন ১ হাজার ৩৫ জন। এবারের ডাকসু ভোটে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলিয়ে অন্তত ১০টি প্যানেল অংশ নিয়েছে। এর বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন প্রার্থীদের আরেকটি অংশ।