ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে আগামী ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামো মেরামতের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই কথা জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি ভোটকেন্দ্র স্থাপনের অবকাঠামো ঠিকঠাক করা হবে। পাশাপাশি ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল এবং নির্বাচনী দায়িত্ব প্যানেল প্রস্তুত করা হচ্ছে, যাতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও সরকারি ব্যাংকের কর্মীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকেন।
তিনি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজারের বেশি। এসব কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
দুর্গম এলাকায় নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানোর বিষয়ে আখতার আহমেদ বলেন, সেখানে সরঞ্জাম পরিবহনে হেলিকপ্টার সার্ভিসের প্রয়োজন হতে পারে। বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী এই ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। হেলিকপ্টার ল্যান্ডিংয়ের স্থান চিহ্নিত করার দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসনের। নির্বাচনী প্রচারণায় তথ্য মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আখতার আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার এই প্রচারণায় ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সংসদ টিভি ও বিটিভি নিউজও গুরুত্বপূর্ণ অংশ নেবে।
ঋণ খেলাপিদের ব্যাপারে যাতে সঠিক তথ্য দেওয়া হয়, সে ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, বাজেটের ব্যাপারে সাশ্রয়ী হবার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে।
শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসনকে তফসিলের শুরু থেকেই নির্বাচনী আচরণে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পাবলিক স্কুল ও কলেজের পরীক্ষা যেন ভোটের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।