সুলতান আহমেদ, কুড়িগ্রাম অফিস:
কুড়িগ্রাম জেলার বেশিরভাগ রেল ক্রসিং গুলো অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। মনে হয় যেন দেখভালের কোন লোক নাই অরক্ষিত রেল ক্রসিং গুলো সব সময় মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে রেল বিভাগের উদাসীনতা, কর্তৃপক্ষের দায়হীনতা ,সেইসঙ্গে সচেতনতার বড় অভাব বলে মনে করছে স্থানীয় সচেতন মহল।
কুড়িগ্রাম জেলায় ১৯৭১ সালের পর থেকে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল রেল ক্রসিং ও ভোকেশনাল মোর রেল গ্রুপিং ছাড়া সমস্ত রেল ক্রসিংয়ের জায়গায় কোন ব্যাটসম্যান দেখতে পাওয়া যায় না।। কুড়িগ্রাম থেকে রমনা বাজার চিলমারী পর্যন্ত মোট পাঁচটি রেল ক্রসিং রয়েছে এই রেল ক্রসিং এ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও রেল কর্তৃপক্ষের কোন সুনজর পড়েনি এখন পর্যন্ত ওই রেল ক্রসিং গুলো অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।।
সাম্প্রতিক সময়ে ১৭ ই নভেম্বর কুড়িগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সামান্য ১০০ গজ পূবে মাইক্রোবাস ও রমনা লোকাল ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয় । তিন থেকে চারজন গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় সরেজমিন তদন্তে গেলে রেল কর্তৃপক্ষের তেমন কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি। আনন্দবাজার রেল ক্রসিং এ বিশই নভেম্বর সকাল সাড়ে দশটার দিকে অটো মোটরসাইকেল এবং রেলের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয় এতে দুজন গুরুতর পায়ে আঘাত পেয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলার অরক্ষিত রেল ক্রসিং এর সংখ্যা ৪টি ।পুরাতন রেলস্টেশন থেকে খলিলগঞ্জ নতুন রেলস্টেশনে ছিল চারটি রেল ক্রসিং । বর্তমান কুড়িগ্রাম খলিলগঞ্জ রেল স্টেশন থেকে চিলমারী রমনা বাজার পর্যন্ত অরক্ষিত রয়েছে ৫টি ।
কুড়িগ্রাম জেলার অরক্ষিত রেল ক্রসিং সম্পর্কে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুধীমহল এবং সচেতন গণমানুষ সকলেই রেলক্রসিং এ কেন গেটস ম্যান থাকবে না ? সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রশ্নে সরব হয়ে উঠছে। শীতকালে এই রেল ক্রসিং এ দুর্ঘটনা আরো বেড়ে যাবে বলে সচেতন মহন ধারণা করছে।
রেল ক্রসিং এর আশপাশের লোকজন, হাট বাজারের গণমানুষ এবং সুধীমহল কুড়িগ্রাম থেকে রমনা বাজার রেলের রেল ক্রুসিং এর জন্য গেটসম্যান অতিব দ্রুত গতিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।