লক্ষ্মীপুরে বাহরাইন প্রবাসী রহমতুল্লাহর বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর কারার পাশাপাশি একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামা শ্বশুর আবুল বাশার মিরন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
শনিবার (৬ডিসেম্বর) সন্ধ্যা শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবারকে থানা লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।
এর-আগে, বিকেলে পৌরসভার (১০ ওয়ার্ড) কালু হাজী সড়কের পাশে অবস্থিত বাশার মঞ্জিলে এ হামলা, ভাংচুর ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ৫ মাস পূর্ব বাহরাইন প্রবাসী রহমতুল্লাহ তার স্ত্রীর খালাতো বোন (জেঠস) নাসরিন আক্তারের কাছ থেকে পুরনো বসতঘরসহ সোয়া ৩ শতাংশ জমি খরিদ করেন। জমি কিনার পর থেকে আপন মামা শ্বশুর আবুল বাশার মিরন জমিটি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করেন। এবং জমিটি ফেরত পেতে আবুল বাশার আদালতে টাকা জমা দেয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। একপর্যায়ে কোনো উপায় উত্তর না প্রবাসীর স্ত্রী শিউলি আক্তার সাথী সদর মডেল থানায় ১ ডিসেম্বর তার মামা-মামি ও মামাতো ভাই আবিরের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয়পক্ষকে থানা ডাকেন। কিন্তুক আবুল বাশাররা থানা না গিয়ে (আজ) শনিবার বিকেলে উল্টো প্রবাসীর বসতঘর ভাংচুর করে। ভাংচুরের দৃশ্য মোবাইল ফোনে দারুণ করতে গেলে হামলাকারীরা ভুক্তভোগী সাথীকে মারধর করে তার হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয়পক্ষকে শান্ত করে।
প্রবাসীর স্ত্রী শিউলি আক্তার সাথী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, আমাদের কিনা সম্পত্তি। এখন আমার মামা জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। (আজ) আমার শ্বশুর গ্রামের বাড়ি থেকে আমাদের এখানে আসলে তারা ঢুকতে বাঁধা দেয়। এবং আমরা নতুন করে টয়লেট বসাতে গেলে মামা-মামি ও মামাতো ভাই ভাংচুর করে। আমার হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।
অভিযুক্ত আবুল বাশারকে পাওয়া যায়নি তবে তার ছেলে আবির বলেন, ৩ মাস পূর্বে আমাদের জমি আজিজুর রহমান জিসান বিক্রি করে দেয়। রাতের অন্ধকারে আমাদের জমি তৃতীয় পক্ষ দখল করে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে আমাদের সঙ্গে মারামারির পর্যায়ে গেছে।