আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ ও মুফাসসিরে কুরআন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মুসলিম ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে বহুবার বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁর মতে, মুসলিম সমাজ ও ওলামায়ে কেরাম যখন ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, তখনই তারা বিজয় ও নেতৃত্ব অর্জন করেছেন; আর বিভক্তি ও পারস্পরিক দ্বন্দ্বের কারণেই মুসলিম উম্মাহ পতনের মুখে পড়েছে।
তিনি মুসলিম বিশ্বের দুর্বলতার অন্যতম কারণ হিসেবে পারস্পরিক বিভক্তিকে চিহ্নিত করেন এবং কুরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
ইরান প্রসঙ্গে তিনি ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর দেশটির নেতৃত্বের দৃঢ় অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে যে, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর হুঁশিয়ারির মুখেও ইরানের নেতৃত্ব আপস করেনি—যা তিনি মুসলিম নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও আত্মমর্যাদাবোধের উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-কে ঘিরে আলোচনায় তিনি মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, ঐক্য এবং ভূরাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, সাঈদী পৃথিবীর প্রায় ৫০টি দেশে ইসলামের দাওয়াতি কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন এবং তাঁর বক্তব্য মুসলিম ঐক্য, নৈতিকতা ও বিশ্ব মুসলিম রাজনীতির বিভিন্ন দিককে ঘিরে বিস্তৃত ছিল।