যুদ্ধের মধ্যেও তেহরান শহরে কিছুটা স্বাভাবিকতা এবং বাণিজ্যের ছাপ দেখা গেছে। শহরের কেন্দ্রস্থল কিছু দোকান সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালাচ্ছে, পাশাপাশি মোটরসাইকেল কুরিয়াররা দৈনন্দিন জীবনের ব্যয় চালাতে কাজ করছে।
তবে শহরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে এখনও দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। গত রবিবার রাতে ইসরায়েল তেহরানের প্রধান জ্বালানী সংরক্ষণাগার ও তেল স্থাপনায় হামলা চালানোর পর সোমবার তেহরানের আকাশে অন্ধকার এবং তেল মিশ্রিত ঝড়ের কারণে গাড়ি ধোয়ার দোকানগুলোতে ব্যস্ততা দেখা গেছে।
শহরের গ্র্যান্ড বাজারে কাজ করা এক যুবক আল জাজিরাকে বলেন, ‘এই সপ্তাহে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোকান খোলা রেখেছি, তবে অনেক গ্রাহক আসে না।’ তিনি জানান, তার আত্মীয়রা শুধুমাত্র সংক্ষিপ্ত দূরত্বের কাজ বা মুদি জিনিস কেনার জন্য বের হন। এর পেছনে কারণ, পূর্ব তেহরানের নিরাপত্তা ও পুলিশ ভবনগুলো কয়েক দফা তীব্র বোমা হামলার লক্ষ্য হয়েছে, যার সর্বশেষ হামলা সোমবার ঘটেছে।'
সূত্র: আল জাজিরা