মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা হলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে গ্লোবাল এনার্জি মনিটর (জিইএম)।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, জিইএম-এর এশিয়া গ্যাস ট্র্যাকার অনুযায়ী, বর্তমানে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে মোট ১০৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এলএনজি টার্মিনাল ও গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জোটের ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, জিইএম-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, জ্বালানি সংকটের মধ্যে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তর একটি স্থিতিশীল বিকল্প হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। হামলার প্রথম দিনই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর থেকে পাল্টা জবাব দিয়ে আসছে ইরানও। ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলার পাশাপাশি ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলো।