স্টাফ রিপোর্টার :
আসন্ন কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়ছে দিন দিন। এরই মধ্যে মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শ্রমিকনেতা দেওয়ান মোঃ জসিম উদ্দিনের নাম এখন সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং ধারাবাহিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দ্রুতই পৌর এলাকার জনমনে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দেওয়ান মোঃ জসিম উদ্দিন নিজেকে একটি মানবিক ও গণমুখী নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, দুর্যোগকালীন সহযোগিতা সব মিলিয়ে তিনি ইতোমধ্যেই একটি শক্তিশালী জনভিত্তি গড়ে তুলেছেন। ফলে নির্বাচনের আগেই তিনি জনপ্রিয়তার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
কিন্তু এই উত্থানই যেন ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর প্রতিপক্ষের কাছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিভিন্ন ভুয়া আইডি, অজ্ঞাতনামা অনলাইন পোর্টাল এবং অনুমোদনহীন মিডিয়ার মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে দেওয়ান জসিম মোঃ উদ্দিনকে জড়িয়ে একের পর এক গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সচেতন মহলের মতে, এটি একটি সুপরিকল্পিত চরিত্রহনন প্রচেষ্টা, যার মাধ্যমে জনপ্রিয় এই প্রার্থীকে বিতর্কিত করে জনসমর্থন নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে দেওয়ান মো. জসিম উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, “জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরে একটি মহল মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। কিন্তু জনগণ এখন অনেক সচেতন—তারা সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে জানে।”
এদিকে তাঁর সমর্থকরা ইতোমধ্যেই এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, অপপ্রচারকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউব এবং অনুমোদনহীন অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে যারা মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সিভিল কোর্টে মানহানি মামলা এবং ফৌজদারি আদালতে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই এমন অপপ্রচার ও কৌশলগত আক্রমণ বাড়তে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের বাস্তবতা ও জনগণের আস্থাই নির্ধারণ করবে কে হচ্ছেন কালিয়াকৈর পৌরবাসীর আগামী দিনের কর্ণধার।