নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (জেবিএবি)-এর দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও নির্বাচন আগামীকাল ১৫ আগস্ট (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর কাকরাইলে ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—দুই পদে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসির লায়ন আলতামাসুল ইসলাম আকন্দ ইকবাল। তাদের ব্যালট নম্বর যথাক্রমে ১০০১ ও ১০০২।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির এ কে এম মাকসুদুর রহমান চৌধুরী এবং জনতা ব্যাংক পিএলসির শাহ জাহান। তাদের ব্যালট নম্বর যথাক্রমে ২০০১ ও ২০০২।
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং অভিযোগ-আপত্তি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সভাপতি পদে একজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় শেষ পর্যন্ত এ পদে দুজন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম মোহাম্মদ আসলাম হোসেন। কমিশনে সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট সদস্যদের নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম ও বিধিমালা অনুসরণ করেই ভোটগ্রহণ ও নির্বাচন পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
আগামীকালের ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভোট দেবেন জেবিএবির সদস্যরা। চার প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শেষ পর্যন্ত কারা সংগঠনের নেতৃত্বে আসছেন, তা জানতে এখন ভোটের ফলাফলের অপেক্ষা।