পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে পানি আসার বিষয়টি দীর্ঘদিনের। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সজাগ ও সতর্ক রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে ভারতেরও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক কতটা ইতিবাচক হওয়া উচিত, তা নিয়ে ভাবা প্রয়োজন।
ভারত কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়া বাংলাদেশের দিকে পানি ছেড়ে দিচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বুধবার দুপুরে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের পাশের দেশ, বন্ধুপ্রতিম দেশ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। ভারত এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে এবং বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে—এটাই প্রত্যাশা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যাতে কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার না হয়, সে বিষয়ে সরকারও আরও সজাগ থাকবে।
বুধবার দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মুহুরী সেতু এলাকায় মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পানি সম্পদমন্ত্রী।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, রেহানা আক্তার রানু, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এবং ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসনের জন্য প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকালে ফেনী সার্কিট হাউসে পৌঁছালে জেলা প্রশাসক মনিরা হক ও পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে স্থানীয় নেতাকর্মীরাও তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর পরশুরামের মুহুরী নদীর বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন মন্ত্রী।