নিউজ ডেস্ক : টাটকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ আদিকাল থেকেই চলে আসছে। এটা সত্য যে- টাটকা খাবারের স্বাদ অটুট থাকে, স্বাস্থ্যগুণও বেশ ভালো। তাই অল্প পরিমাণে রান্না করে দিনের দিনই খেয়ে নেওয়া ভাল বলে মনে করেন পুষ্টিবিদেরা। কিন্তু ব্যতিক্রম তো সব কিছুতেই থাকে। এখানেও তার ব্যতিক্রম নেই।
কিছু খাবার আছে, যেগুলি টাটকা নয়, বাসি খেলেই বেশি সুফল পাওয়া যায়। শরীরও অনেক বেশি পুষ্টিগুণ পায়। কোন খাবারগুলি নির্ভয়ে বাসি খেতে পারেন, তারই একটি তালিকা দেওয়া হলো-
রুটি
বাসি রুটি খাওয়ার চল অনেক বাড়িতেই আছে। রাতে করা রুটি বেঁচে গেলে তা ফেলে না দিয়ে সকালে খেয়ে নেন অনেকেই। বাসি রুটি খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যকর। কারণ বাসি রুটিতে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেলস, যা হজমের গোলমাল কমায়। বাসি রুটি আবার রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বাসি রুটি উপকারী।
ভাত
ভাত বাসি করে খেলে তার ভিতরে থাকা রেজিস্ট্যান্স স্টার্চের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে ফ্রিজে রাখা ভাত গরম করে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা এক লাফে অনেকটা বেড়ে যেতে পারে না। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বাসি ভাত খাওয়া ভীষণ উপকারী।
ওট্স
আগের দিন দুধে বা পানিতে ওট্স ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। ফ্রিজে রাখা ওট্স অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। এ ক্ষেত্রেও ওট্সে থাকা রেজিস্ট্যান্স স্টার্চের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে সুগার স্পাইক কমে। ভিজিয়ে রাখা ওট্স পেটের জন্যও ভাল।
বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
আলু
ডায়াবেটিস রোগীরা সুগার বেড়ে যাওয়ার ভয়ে আলু খেতে পারেন না। তবে পুষ্টিবিদেদের মতে, আলু ফ্রিজে রেখে খেলে সুগার বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে। ফ্রিজে রাখলে আলুর সাধারণ শর্করা রেজিস্ট্যান্স স্টার্চে পরিণত হয়। ওজন যারা কমাতে চান, তারাও আলু ফ্রিজে রেখে খেতে পারেন।
পাউরুটি
শুনতে অবাক লাগলেও টাটকা পাউরুটি নয়, ফ্রিজে রাখা পাউরুটি খাওয়া বেশি উপকারী। ফ্রিজে রাখা পাউরুটিতে রেজিস্ট্যান্স স্টার্চের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। এই ছোট একটি পদক্ষেপ আপনার স্যান্ডউইচকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।