বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে ৬৫ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, গ্রেপ্তার ১ খালে আটকা পড়া এক হাঙর নিয়ে শহরজুড়ে মাতামাতি, পর্যটকের ভিড় রাড্ডা হামলায় নাম, পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী বাসের ভেতরে সন্তান প্রসব, উপহার গেল নবজাতকের বাড়িতে কক্সবাজারে হোটেলের শৌচাগার থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ৩ মাস ধরে নিখোঁজ স্ত্রী, সন্ধান মিলল কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিওতে দৌলতপুর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলি; নিহত ১ মা গৃহপরিচারিকা, থাকেন ভাড়া বাসায়, স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে নিয়োগ লক্ষ্মীপুরে আদালতের রায়ের পর চলাচলের রাস্তার সীমানা প্রাচীর উচ্ছেদ চলন্ত বাসে শিশুর জন্ম, মা-ছেলের আজীবন ভাড়া ফ্রি

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৪২

মশার উপদ্রব ও ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। দেশজুড়ে এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে প্রায় দুই হাজার রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই ধারাবাহিক সংক্রমণের ফলে পুরো স্বাস্থ্য খাতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট ওই সময়সীমার মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জন মারা গেছেন। এর ফলে চলতি বছর এই রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের নিয়ে এ বছর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় আশি হাজারে গিয়ে ঠেকেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সচেতনতার অভাব এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস না করার কারণে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে না।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাড়তির দিকে রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগে নতুন রোগী ভর্তির হার উদ্বেগজনক হারে ঊর্ধ্বমুখী। এছাড়া খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মতো রোগ শনাক্ত না করলে ডেঙ্গুর জটিলতা দ্রুত মারাত্মক রূপ নিতে পারে।

এদিকে আক্রান্তদের একটি বড় অংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় প্রায় দুই হাজার রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর ফলে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা মোট রোগীর সংখ্যা প্রায় চুয়াত্তর হাজারে পৌঁছাল। তবে চলতি বছরের মে মাস থেকেই যেভাবে সংক্রমণ দ্বিগুণ হারে বাড়ছে, তাতে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: