বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ডিজিটাল রূপান্তরের আগে মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি: হিট প্রকল্প পরিচালক ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা পলাশবাড়ীতে এডিপির পৌনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে কমিটি ভোটের আগের রাতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, টাকা বিতরণের দাবি উচ্চশিক্ষায় স্যাটেলাইট টিভি চালুর পরিকল্পনা ইউজিসির ওএমএসে পুষ্টিসমৃদ্ধ আটা বিতরণের পরিকল্পনা সরকারের গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী কেয়ার বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ পাবেন ২ লাখ ৪৫ হাজার তরুণ-তরুণী বাংলাদেশ-জাপান ছয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি মানুষের নীতি বলে কিছু নেই—মানবজাতি নিয়ে মত দিল ১৪টি এআই মডেল

পাঁচ জেলা শহরে কত পুকুর, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের নির্দিষ্ট পাঁচটি জেলা শহরের জলাধার রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে উচ্চ আদালত। রেকর্ডে থাকা কোনো পুকুর বা জলাশয় যাতে প্রভাবশালীরা দখল কিংবা ভরাট করতে না পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মনিটরিং কমিটিকে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে। জলাভূমি ধ্বংসের মহোৎসব রোধে আদালতের এই পদক্ষেপকে সময়োপযোগী বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

আদালতের এই নির্দেশনার ফলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর শহর এলাকায় অবস্থিত সব পুকুরের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে। কোনোরকম কারসাজি করে যাতে প্রাকৃতিক জলাধারগুলোর শ্রেণি পরিবর্তন করা না যায়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে যৌথভাবে এই মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পুকুর ভরাট ও দখল প্রক্রিয়া বন্ধে এই তালিকা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শহরাঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে পুকুর ও জলাশয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। অথচ অপরিকল্পিত নগরায়ন ও আইন অমান্য করে একের পর এক পুকুর ভরাট করে চলেছেন এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি। বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পরই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খুব দ্রুত নির্ধারিত জেলাগুলোর পুকুরের তালিকা আদালতে দাখিল করতে হবে।

আদালতের এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনিটরিং কমিটি তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবে। সাধারণ নাগরিক সমাজ আশা করছে, আদালতের এই হস্তক্ষেপে দেশের ৫ জেলা শহরের জলাধারগুলো স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: