বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা চলবে না: মুসাদ্দিক ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী

অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয়

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশের বৈদেশিক অর্থায়নে এক ধরনের বড় ধরনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এই সময়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে যে পরিমাণ অর্থ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় হয়েছে পূর্বের নেওয়া বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের পেছনে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণের মূল ও সুদ বাবদ মোট ১ হাজার ৩৫১ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আলোচ্য সময়ে বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে ছাড় হয়েছে মাত্র ৬৬২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ সহজ হিসাবে, প্রতি এক ডলার বৈদেশিক সহায়তার বিপরীতে সরকারকে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে প্রায় দুই ডলারের বেশি।

গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঋণ পরিশোধের এই হার প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের বছর এই খাতে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ২৭৯ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কেবল মূল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৫৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার এবং সুদ বাবদ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৪৯২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে সহায়তার অর্থছাড় কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

প্রতিবেদন আরও জানায়, গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় যেখানে ১ হাজার ১৪৮ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার ছিল, তা চলতি অর্থবছরের একই সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, এই মন্দার মধ্যেও নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তিন মাসে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে ১ হাজার ২৭৩ মিলিয়ন ডলারের নতুন প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯১০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: