মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আখতারুজ্জামান শ্রমিক বিক্ষোভের পঞ্চম দিন: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ, সতর্ক করল বিশ্বব্যাংক ৩৯ জনকে নেবে লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ফুটবলাররা কি আসলেই বোকা, নাকি আমরা ভুল জানি কারামুক্ত হলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বৃন্দাবন কলেজ থেকে বহু গুণীজন তৈরি হয়েছেন: হুইপ গউছ এইচএসসির ফল বিবেচনায় রাবির ভর্তি আবেদনের শর্ত শিথিল গাজীপুরে আজ ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

এইচএসসিতে ফল বিপর্যয়ের প্রভাব: শিক্ষার্থী সংকট হবে উচ্চশিক্ষায়

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এর ফলে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বড় ধরনের শিক্ষার্থী সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে স্নাতক স্তরে ভর্তির সুযোগ থাকলেও উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকায় প্রায় সাড়ে আট লাখ আসন ফাঁকা থেকে যেতে পারে। বিশেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ এবং মানসম্মত নয় এমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই সংকটের কারণে মারাত্মক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্নাতক পর্যায়ে মোট আসনসংখ্যা প্রায় ১৫ লাখের কাছাকাছি। অথচ সাম্প্রতিক প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, সারা দেশে সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাস করেছেন ছয় লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। ফলে সব উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পেলেও প্রায় আট লাখ ৪৫ হাজার ৬০০টি আসন শূন্য থাকার সুনির্দিষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় পাসের হার এবং সর্বোচ্চ জিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের প্রধান সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা দেখা গেলেও সামগ্রিকভাবে অনেক প্রতিষ্ঠানেই এবার কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার্থী পাওয়া যাবে না। তবে কিছু শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে প্রতিযোগিতার চিত্র আগের মতো অব্যাহত থাকতে পারে। তাছাড়া পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোরতা, নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অপেক্ষাকৃত দুর্বল ফলাফল এবং বিগত সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো বিভিন্ন কারণে এবারের ফলাফলে এই পতন ঘটেছে বলে বিশ্লেষকরা মত দিয়েছেন।

এদিকে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতোমধ্যে বিকল্প ভাবনার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমানুল্লাহ ফেরদৌস জানিয়েছেন, তাদের অধীনে থাকা বিপুল পরিমাণ আসন খালি থাকার যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে তারা নতুন পথ খুঁজছেন। বিশেষ করে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে বর্তমানে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: