বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস বিতর্কিত ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের হোঁচট, চাপে পড়তে পারেন ইনফান্তিনো বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের সঙ্গে ডিজিইপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক ইরান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: ডেমোক্র্যাট নেতা শুমার ক্যামেরার সামনে হাসিখুশি ক্ষুদে কনটেন্ট ক্রিয়েটার, আড়ালে যন্ত্রণাময় জীবন মাদক সেবনের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার, ১৫ দিনের কারাদণ্ড সংবাদ প্রকাশের জেরে গ্রেপ্তারে নিতে হবে আদালতের পূর্বানুমতি ‘ট্রাম্পই এখনো আপনাদের প্রেসিডেন্ট’, কেন এমন বার্তা দিল হোয়াইট হাউস

কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া প্রসিকিউটর দেশ ছেড়েছেন, চিফ প্রসিকিউটর বললেন নিষেধাজ্ঞা ছিল না

আইন-আদালত ডেস্ক: সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে জামিন করিয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর পরিবারের কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তৎকালীন প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার এই অর্থের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিলেন বলে জানা গেছে। দায়িত্বশীল এই পদে থেকে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বিচার অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার অভিযুক্ত হওয়ার পরপরই গোপনে দেশ ত্যাগ করেছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারি পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠার পর তাঁর এই পলায়নের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁর এই আকস্মিক দেশত্যাগের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সুনির্দিষ্ট ব্যাখা দিয়েছেন। তিনি জানান যে অভিযুক্ত ব্যক্তির দেশত্যাগের ওপর পূর্বে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা কড়াকড়ি ছিল না। আইনি প্রক্রিয়া এবং দাপ্তরিক সীমাবদ্ধতার কারণে সময়মতো তাঁর দেশত্যাগের পথ রোধ করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ দাবির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আইনি বিশেষজ্ঞরা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: