শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
সরকারিভাবে বিনাখরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি: অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে, যেসব নথিপত্র লাগবে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে দিনমজুরের টাকায় তিন সড়কে ১১ যাত্রীছাউনি ৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের রি-ভেরিফিকেশন চালু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা, সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত রোববার মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট! পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষ: সরকারের দায়িত্ব সমন্বয়ের পথ বের করা গরুর দুধ: উপকার কতটা, ঝুঁকিই-বা কোথায়? ‘দুই মাস হইছে, মাছের গন্ধটাই ভুইল্যা গেছি’

গরুর দুধ: উপকার কতটা, ঝুঁকিই-বা কোথায়?

নিউজ ডেস্ক: দুধ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পরিচিত হলেও এটি সবার শরীরের জন্য সমানভাবে উপকারী কি না, তা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে আলোচনা চলছে। পুষ্টিবিদদের মতে, মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিসাধন এবং হাড়ের মজবুতি বজায় রাখতে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত দুধ পানের অভ্যাস শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান জোগাতে সাহায্য করে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে পুষ্টিবিজ্ঞান ও চিকিৎসা গবেষণায় দুধ পানের কিছু সম্ভাব্য নেতিবাচক দিকও সামনে এসেছে। বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, অতিরিক্ত পরিমাণে গরুর দুধ পান করলে নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অনেক মানুষের শরীরে ল্যাকটোজ সহ্য করার ক্ষমতা থাকে না, যার ফলে দুধ খাওয়ার পর পরিপাকতন্ত্রে নানা ধরনের জটিলতা ও অস্বস্তি দেখা দেয়।

হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ক্যালসিয়ামের উৎস হিসেবে দুধের জুড়ি মেলা ভার হলেও বর্তমান গবেষণাগুলো আরও গভীরে গিয়ে এর কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করছে। গবেষকদের একাংশের মতে, হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে কেবল দুধের ওপর নির্ভর না করে অন্যান্য পুষ্টিকর উৎস থেকেও ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন গ্রহণ করা উচিত। এতে দীর্ঘ মেয়াদে শরীরের সামগ্রিক ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয় এবং অপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়।

সব মিলিয়ে ডায়েটে গরুর দুধ রাখবেন কি না এবং এর পরিমাণ কেমন হওয়া উচিত, তা নির্ভর করে প্রতিটি মানুষের শারীরিক গঠন ও বিপাকক্রিয়ার ওপর। কারও ক্ষেত্রে এটি অমৃতসমান হলেও অন্য কারও জন্য এটি হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই নিজ শরীরের সহ্যক্ষমতা বুঝে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাদ্যতালিকায় দুধের পরিমাণ নির্ধারণ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: