বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন জ্যোতি নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ করার ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেলেন আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী আমার সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি দল: আসিফ নজরুল তৈরি হচ্ছিল নকল বিদেশি সিগারেট, মেশিনসহ গ্রেফতার ৯ মিছিলের প্রস্তুতি, ৩ মাইক্রোবাসসহ আ’লীগের ৩১ নেতাকর্মী আটক কারাগার ছিল ঠিকানা, ৭ বছর বয়সে মুক্ত আকাশের নিচে মোবাশ্বেরা বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জানা গেলো পরবর্তী দুই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ভেন্যু

ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, উদ্বেগে মুসলিমরা

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) শাসিত সব রাজ্যে বিতর্কিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি সরকারের এই উদ্যোগে দেশটির মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ভারতে ১৪০ কোটি মানুষের জন্য ফৌজদারি আইন এক হলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকারের মতো ব্যক্তিগত বিষয়গুলো বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ের নিজস্ব রীতি ও আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এই বৈচিত্র্যময় ব্যবস্থার পরিবর্তে সবার জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লক্ষ্য।

এরই মধ্যে ভারতের অন্তত চারটি রাজ্যে এই আইন চালু হয়েছে। রোববার অমিত শাহ বলেন, কয়েকটি রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট শাসিত ২১টি রাজ্যের সবকটিতেই এই আইন কার্যকর করা সম্ভব হবে।

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিম নাগরিকদের মধ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিজস্ব পারিবারিক রীতি অনুসরণের অধিকার নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছে।

তবে আইনের সমর্থকদের দাবি, ইউসিসি চালু হলে বহুবিবাহ প্রথা বন্ধ হবে, সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়েদের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে এবং আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ বাধ্যতামূলক হওয়ায় মুসলিম নারীদের অধিকার অন্য সম্প্রদায়ের নারীদের সমপর্যায়ে আসবে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত মূলত হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে দেশটিতে প্রায় ২২ কোটি মুসলিম বসবাস করেন। জনসংখ্যার হিসাবে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠী।

সুত্র-মিডল ইস্ট আই


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: