শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরালো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের আশেপাশের জলসীমায় তৃতীয়বারের মতো একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, কৌশলগত কারণে সেখানে শক্তি বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই রণতরির পাশাপাশি হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনাও মোতায়েন করা হচ্ছে ওই অঞ্চলে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে। পরিস্থিতি যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে—এমন আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সর্বোচ্চ স্তরে প্রস্তুত রাখছে।
চলমান এই সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও ওই এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। মার্কিন সামরিক কৌশলবিদরা মনে করছেন, এই যুদ্ধবিমান ও রণতরীগুলো মোতায়েন করার ফলে আকাশ ও সমুদ্রপথে তাদের নজরদারি এবং আক্রমণাত্মক সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। সাম্প্রতিক সময়ে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সম্পর্কে যে দীর্ঘস্থায়ী টানাপোড়েন চলছে, এই পদক্ষেপ তারই প্রতিফলন।
বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউসের এই কৌশলগত পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এই সামরিক শক্তি বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্য হলো মিত্রদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি শক্ত হাতে মোকাবিলা করা।