শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: ছেলে বললেন, ‘ফেসবুক দেখে জাজ করেন’ বাবার মুখে রুটি তুলে দেওয়া সেই শিশুর হাত ধরে স্কুলে নিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও সেপ্টেম্বর মাসে হামলা, গ্রেপ্তার, আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৭০ সংবাদকর্মী পাকিস্তানে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত অনূর্ধ্ব-১৯ দলের খুবি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, স্থানীয়দের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া গাজা-ইয়েমেনসহ ১২ সংকটে জাতিসংঘের ১৬ কোটি ডলার সহায়তা নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন ভিটেবাড়ি না থাকা সেই মিশন আচার্য ইরানের আশপাশে ৩ রণতরি, হাজারো সেনা ও এফ-৩৫ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র কুলাউড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে কোডিন সিরাপ উদ্ধার নেত্রকোনায় তরুণীকে নিয়ে ধর্ষণ, গর্ভপাতের অভিযোগ অবশেষে থানায় মামলা

নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন ভিটেবাড়ি না থাকা সেই মিশন আচার্য

নিজের কোনো স্থায়ী ঠিকানা বা ভিটেবাড়ি না থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়া নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অবশেষে দূর হতে চলেছে। ঝিনাইদহের এই তরুণ মেধাবী শিক্ষক খুব শীঘ্রই তাঁর প্রাপ্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে যাচ্ছেন। গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ার পর নীতিনির্ধারক মহলের দৃষ্টিগোচর হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

এর আগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েও কেবল স্থায়ী ঠিকানার ঝামেলার কারণে নিয়োগপত্র আটকে যায় মিশন আচার্যের। তিনি ঝিনাইদহ শহরে একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে আসছেন এবং তাঁর মা অন্যের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে তাঁকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করা মিশন আচার্যের সঙ্গে সুপারিশপ্রাপ্ত বাকি প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই কর্মস্থলে যোগ দিলেও ঠিকানা জটিলতায় তিনি বঞ্চিত ছিলেন।

সংবাদমাধ্যমে এই অমানবিক ও জটিল পরিস্থিতির খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বিষয়টি দেখতে পেয়ে অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন এবং এই তরুণ প্রার্থীর সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে, সাধারণত প্রার্থীরা ঠিকানা গোপন করলেও মিশন আচার্যের বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এটি নিছক একটি পারিবারিক বাস্তবতার ফল।

কর্তৃপক্ষের এমন দ্রুত হস্তক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে মিশন আচার্য ও তাঁর পরিবার গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাঁকে ঢাকায় ডাকা হয়েছে এবং মন্ত্রালয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খুব দ্রুতই তাঁর শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পথ নিশ্চিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় একটি সংগ্রামশীল পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নজির স্থাপন করল সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: