মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার ঘোষণার মুহূর্তটি প্রতিটি বিজয়ীর জন্যই অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং অভাবনীয় এক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে। সুইডিশ অ্যাকাডেমি বা সংশ্লিষ্ট নোবেল কমিটি যখন বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে, তখন অনেকেই এই সুসংবাদ পাওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত থাকেন না। ফলে জীবনের সাধারণ নানা কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের গবেষক ও বিজ্ঞানীরা এই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ফোনকলটি পেয়ে থাকেন।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, নোবেল বিজয়ের সেই জাদুকরী খবরটি পাওয়ার সময় একেকজন একেক রকম পরিস্থিতিতে ছিলেন। কারো ক্ষেত্রে গভীর রাতে ঘুম ভাঙার শব্দ হয়ে আসে এই আনন্দের বার্তা, আবার কেউ হয়তো তখন রাজপথে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এমন অনেক নজির রয়েছে যেখানে পুরস্কারের ফোনকল পাওয়ার সময় বিজয়ী ব্যক্তি ব্যস্ত ছিলেন দুপুরের খাবার গ্রহণে কিংবা বাজারের থলে হাতে ঘরের বাইরে।
দৈনন্দিন সাধারণ কাজের ব্যস্ততার মাঝেই এমন অপ্রত্যাশিত ফোনকল পাওয়াটা গবেষকদের কাছে প্রায়শই এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার বলে মনে হয়। কেউ হয়তো তখন বাথরুমে ছিলেন কিংবা সকালে ঘুম থেকে উঠে কেবল দাঁত মাজছিলেন, এমন সময় সুইডেন থেকে বেজে ওঠে রয়্যাল অ্যাকাডেমির কাঙ্ক্ষিত সেই ফোনটি। মুহূর্তেই বদলে যায় তাদের সাধারণ একটি সকাল বা দুপুর, যা বিশ্ববাসীর সামনে তাদের পরিচিতি এনে দেয় নতুন এক উচ্চতায়।
এ ধরনের রোমাঞ্চকর ঘটনা প্রমাণ করে যে, নোবেল বিজয়ীরাও সাধারণ মানুষের মতোই তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন করেন এবং পুরস্কার পাওয়ার মুহূর্তটি তাদের জীবনে আসে সম্পূর্ণ আকস্মিক এক চমক হিসেবে। পরবর্তীতে গণমাধ্যমের সামনে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় তারা নিজেদের সেই অবাক করা মুহূর্তগুলোর কথা বেশ হাস্যরসের সঙ্গেই স্মরণ করে থাকেন। এই বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতাগুলো নোবেল পুরস্কারের ঘোষণার ইতিহাসকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে।