মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বিসিআইসির নতুন চেয়ারম্যানের চট্টগ্রাম সফর, সার শিল্পে চীনা বিনিয়োগের প্রস্তাব গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে কর আদায়ের নির্দেশ মোংলা বন্দরে দুটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে ৩৪ কোটি ডলার ঋণ দেবে চীন বাসস পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল হাই শিকদার ভারতে চলমান আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কী? ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে মন্দা ও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার গবেষণায় এ বছর নোবেল পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে: এমপি মিলন নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ মন্ত্রিসভার নোবেল পাওয়ার খবর কখন পেলেন

ভারতে চলমান আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশ ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে যেসব আন্দোলন দানা বেঁধে উঠেছে, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। সাম্প্রতিক এক অনলাইন আলোচনায় এসব বিষয় নিয়ে বিশদভাবে আলোকপাত করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান এই পুরো পরিস্থিতি অত্যন্ত গভীরভাবে মূল্যায়ন করেন। এ কে এম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই বিশেষ আলোচনাটি মূলত ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতির ওপর আলোকপাত করে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে গণআন্দোলনগুলোর পেছনে দীর্ঘমেয়াদী আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কাজ করছে। সাধারণ মানুষের অধিকার এবং নীতিগত নানা বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠী রাজপথে নেমে এসেছে। এসব আন্দোলন কেবল স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় অসন্তোষ দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ভিন্নমত দমনের প্রবণতা এবং বিভিন্ন নাগরিক অধিকার খর্ব করার অভিযোগ তুলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আন্দোলনগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে এবং তা ভারতের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন আনবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও নানা হিসাব-নিকাশ চলছে।

সার্বিক পর্যালোচনায় উঠে এসেছে যে, ভারতের মতো একটি বিশাল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এই ধরনের নাগরিক বিক্ষোভ দীর্ঘমেয়াদে দেশটির রাষ্ট্রীয় নীতি ও শাসনব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও জনরোষ সহজে থামার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে আগাম দিনে এই আন্দোলনগুলো কীভাবে রূপ নেবে এবং এর শেষ পরিণতি কী দাঁড়াবে, তা সময়ই বলে দেবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: