বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল

ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। ভোটগ্রহণ শুরুর ঠিক আগের দিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এসব বিষয়ে পৃথকভাবে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির প্রার্থীরা। নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে প্রার্থীরা নিজেদের শঙ্কার কথা জানানোর পাশাপাশি একে অপরকে দোষারোপ করছেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর গণমাধ্যমের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন অভিযোগ করেন যে, নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পরেও একটি স্থানীয় বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠকে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারের শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন এলাকায় তাদের উঠান বৈঠকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ, হামলার শিকার হয়ে তাদের কর্মীরা আহত হলেও উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে।

অন্যদিকে, জামায়াতের আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে জেলা বিএনপির প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর মো. আতাউর রহমান পাল্টা অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তার দাবি, ভোট পরিচালনার জন্য প্রস্তুতকৃত সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের তালিকায় জামায়াতপন্থী ব্যক্তিদের আধিক্য রয়েছে। বড় রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় সংযত আচরণ করার চেষ্টা করছে এবং প্রতিপক্ষের উসকানিতে পা না দিতে নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে প্রতিপক্ষ নানা ধরনের মনগড়া অভিযোগ তুলছে বলেও বিএনপি নেতারা দাবি করেন।

উভয় পক্ষের এমন পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, প্রার্থীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগগুলো তারা হাতে পেয়েছেন। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি সদস্যের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও মাঠে সক্রিয় থাকবেন বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: