শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেবে না জোটসঙ্গী দল ইউটিজে, আরও বেকায়দায় তিনি প্রতিটি শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কারখানা বন্ধ রাখতে চান পোশাকশিল্পের মালিকেরা আদা চাষে প্রণোদনা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী তেল–গ্যাস খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান লক্ষ্মীপুরে অনলাইনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা সোমবার, প্রস্তাব দেবেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজকল্যাণেও এগিয়ে প্রথম আলো: আরিফ দৌলা ৬ শিক্ষার্থী, ১১ শিক্ষক-কর্মচারী: সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ

৬ শিক্ষার্থী, ১১ শিক্ষক-কর্মচারী: সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ

নিউজ ডেস্ক: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গুর্জিপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তীব্র অসঙ্গতি এবং প্রশাসনিক গাফিলতির গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র ছয়জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতির চিত্র এবং মূল ফটক বন্ধ থাকার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসার পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় শিক্ষা বিভাগ এবং প্রধান শিক্ষককে আনুষ্ঠানিক কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে এই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিকেরা বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান প্রধান ফটকটি বন্ধ রয়েছে এবং ভেতরে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়, যা প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে গত দেড় বছর ধরে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো ধরনের দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেনি। উল্টো নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও প্রধান শিক্ষক তা রোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। এর আগে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে একাধিকবার সতর্ক করা সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রধান শিক্ষকের নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার বিষয়টিও নোটিশে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।

এসব অনিয়মের জন্য কেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে প্রশাসনের এই পদক্ষেপে স্থানীয় সচেতন মহলে স্বস্তি ফিরলেও, কেবল নোটিশেই সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: