বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও খুনের এক লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক বিবরণ তুলে ধরেছেন সাব্বির নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী। দীর্ঘ দিন ধরে চলা বিভিন্ন অপকর্ম এবং নির্যাতনের ভয়ংকর চিত্র জাতির সামনে উন্মোচন করেছেন তিনি। তার এই সাক্ষ্য দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহারের এক অন্ধকার অধ্যায়কে স্পষ্ট করে তুলেছে।
ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর ভাষ্য অনুযায়ী, নির্যাতনের মাত্রা ছিল অত্যন্ত বর্বরোচিত ও অমানবিক। কোনো এক ব্যক্তিকে হাত-পা শক্ত করে বেঁধে প্রথমে মাছ সংরক্ষণের প্লাস্টিকের খোলে আটকে রাখা হয়েছিল। এরপর তাকে গভীর নদীতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে পানির গভীরতা মেপে নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ট্রলারের পাটাতনে তুলে আনা হতো।
এ ধরনের রোমহর্ষক বিবরণ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তৎকালীন সময়ে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে এসব বেআইনি কার্যক্রম পরিচালিত হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে এসব ঘটনার সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জড়িত সকলের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার জোরালো দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্য উদ্ঘাটনে তদন্তকারীরা কাজ করে যাচ্ছেন।