শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে সম্প্রতি বিল পরিশোধ ও খরচ বৃদ্ধি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। শহর থেকে শুরু করে একেবারে মফস্বল বা গ্রামঞ্চলের মানুষও বিদ্যুতের অস্বাভাবিক খরচ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে মিটার ভাড়া এবং ডিমান্ড চার্জের মতো অতিরিক্ত ফি যুক্ত হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে গেছে।
চলতি বছরের জুন মাসে বিদ্যুৎ খাতের নতুন দাম বা ট্যারিফ নির্ধারণ করার পর থেকেই এই জটিলতার সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা যায়। এই নতুন মূল্য কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর থেকেই প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড উভয় ধরনের মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকেরাই বিলের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলছেন। অনেকেই বলছেন, আগের তুলনায় বিদ্যুৎ ব্যবহার একই থাকলেও বর্তমান বিলের অঙ্ক তাদের মাসিক বাজেটে বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে।
গ্রাহকদের এই ক্ষোভের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মূলত মিটারের নির্ধারিত মাসিক ভাড়া এবং বিভিন্ন ধরনের সেবা ও ডিমান্ড চার্জ। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও বা কম ব্যবহার করলেও এই নির্দিষ্ট চার্জগুলো নিয়মিত পরিশোধ করতে হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকরা নিজেদের আর্থিক ক্ষতির শিকার মনে করছেন। নির্দিষ্ট এই চার্জগুলোর যৌক্তিকতা নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলেছেন দেশের ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোসহ সাধারণ নাগরিক সমাজ।
বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের মতে, বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মিটার রক্ষণাবেক্ষণের জন্যই এই চার্জগুলোর প্রচলন করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মূল্যস্ফীতির এই সংকটময় সময়ে বাড়তি এমনCharges মানুষের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে এবং গ্রাহক অসন্তোষ দূর করতে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।