বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত পত্রিকা: ‘বোয়িংয়ের সাথে চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ’ আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ৫৪৮২ টাকা জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের ‘সাথী’ আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে: প্রিয়াঙ্কা গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি বানাবে যুক্তরাষ্ট্র শ্রীমঙ্গলে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ ২০২০ সালে বলিউডের এক তারকার ম্যানেজারের মৃত্যুর মামলা কেন আবারও তদন্ত করা হচ্ছে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় নগদ অ্যাপে আইএফআইসি ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা দিতে সমঝোতা চুক্তি

জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে এক কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। জাতিসংঘে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণে তিনি বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে নাকি কোনো কূটনৈতিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো হবে, সে বিষয়ে তাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বড় একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার ঢেউ তোলে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান যে, চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের যদি স্থায়ী কোনো সমাধান না আসে, তবে মার্কিন শক্তির আঘাতে ইরানকে পুরোপুরি মুছে বা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হতে পারে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম বড় মঞ্চে এ ধরনের আগ্রাসী ভাষা ব্যবহারের ফলে বিশ্বনেতারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখার প্রধান এই সংস্থার সাধারণ অধিবেশনে এমন হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন এই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই জাতিসংঘে অবস্থিত মিলনায়তনে ইরানের নিজস্ব প্রতিনিধিদলের একজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। প্রতিপক্ষের প্রতিনিধি দলের সামনে সরাসরি এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করার ঘটনা কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং পারস্পরিক সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রচেষ্টাকে আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ওই ইরানি প্রতিনিধি তাৎক্ষণিকভাবে এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বৈরিতা এবং আস্থার সংকটকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে দফায় দফায় অবনতি ঘটলেও এই ধরনের প্রকাশ্য হুমকি পরিস্থিতিকে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধ বা সামরিক সংঘাত এড়াতে এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করার তাগিদ অনুভূত হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: