শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ২ পঞ্চমবারের মতো ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ শুরু হচ্ছে কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি, অস্থিতিশীলতা কঠোরভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি সংস্কৃতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭ জনের চারজন একই পরিবারের পৃথিবী ধ্বংস হবে আগামী ১৩ নভেম্বর, বিজ্ঞান গবেষণাপত্রে জাদুকরের ভবিষ্যদ্বাণী বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ইমাম বললেন—‘সেবা করতে গিয়েছিলাম’ ওয়াশিংটন-নয়াদিল্লি সম্পর্কে টানাপোড়েন, মতবিরোধ প্রকাশ্যে থানার সামনে পুলিশ সদস্যকে যুবদল নেতার মারধর, আটকের পর ছাড়া পেলেন বিএনপি নেতাদের জিম্মায় ময়মনসিংহে বাসের চাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭

পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী মিষ্টি

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের আলোচিত ঘটনার পর পদত্যাগ করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। সম্প্রতি তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেন। এই পদত্যাগের মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে থাকা ক্ষমতাসীন দলের এই নেতার সংসদীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের ছেদ পড়ল।

এর আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে তাকে পদত্যাগ করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে মিরপুর-১ নম্বরে অবস্থিত ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অতর্কিত হামলা চালিয়ে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় সরকারি দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার গুরুতর অভিযোগ ওঠে, যা দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

তদন্তে জানা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ভাঙচুরের ঘটনায় আলোচনায় আসা ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর কার্যক্রমে স্থানীয় বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে শাহ আলী থানার ৮ ওয়ার্ডের কমিশনার থাকাকালীন ফেরদৌসী আহমেদ নিজেই ওই সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এমনকি ওই সমিতির নামে রাড্ডা সেন্টারের জমি বরাদ্দের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের কাছে করা আবেদনেও সভাপতি হিসেবে তার স্বাক্ষর ছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা ছাড়াও এই সংসদ সদস্যের অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক ও অভিযোগ প্রচলিত ছিল। অতীতে স্থানীয় পর্যায়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং জোরপূর্বক জমি দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। এসব পুঞ্জীভূত অভিযোগ এবং সাম্প্রতিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: