শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দত্তকের নামে শিশু কেনাবেচা, ফেসবুকে চলে দর–কষাকষি গেইলকে পেছনে ফেলে টি–টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড লুয়ানের প্রথম দিনেই ৯৫ কোটি আয়! বক্স অফিসে ‘দৃশ্যম’ ঝড় চা বিক্রেতাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল কলেজছাত্রের মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে খুবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার চেষ্টা ট্রাম্পের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা হুমকির পর ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল জি-৭ গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু, ঝুঁকিতে রোগীরা রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামবাহী তিন লরি আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে বিবস্ত্র করার অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মানুষের শরীরে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিহীন পরিবেশের প্রভাব জানতে মহাকাশে গেলেন চার নভোচারী

বিপরীত লিঙ্গের প্রতি নিষিদ্ধ আকর্ষণ: আত্মশুদ্ধির ৩ উপায়

ইসলাম ধর্মের অনুশাসন অনুযায়ী বিবাহবহির্ভূত যেকোনো ধরনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা নিষিদ্ধ আকর্ষণ গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। যখন কোনো যুগল ধর্মের নির্ধারিত এই সীমারেখা লঙ্ঘন করে পরকীয়া বা অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তখন স্বাভাবিকভাবেই তাদের মনে তীব্র আত্মগ্লানি এবং মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়। এই ধরনের পরিস্থিতি কেবল ধর্মীয় দিক থেকেই নিষিদ্ধ নয়, বরং মানুষের পারিবারিক জীবন ও মানসিক শান্তিকেও মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।

ধর্মীয় ও নৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মানসিক দুর্বলতা বা নিষিদ্ধ আকর্ষণ থেকে মুক্ত হয়ে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পথ হলো দৃঢ় তওবা করা। অতীতে ঘটে যাওয়া ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরণের পাপাচার থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে মনে মনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। তওবা কেবল একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা নয়, এটি মানুষের মনকে পবিত্র করতে এবং অপরাধবোধ থেকে মুক্তি দিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

আত্মশুদ্ধির দ্বিতীয় কার্যকর উপায় হলো নিজের দৃষ্টি ও চিন্তাভাবনাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা এবং লোভনীয় পরিবেশ থেকে দূরে থাকা। সাধারণত এ ধরনের আকর্ষণ শুরু হয় ছোট কোনো সুযোগ বা নজর দেওয়ার মাধ্যমে, তাই নিষিদ্ধ সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটাতে পারে এমন মাধ্যমগুলো পুরোপুরি বর্জন করতে হবে। মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা অপ্রয়োজনীয় মেলামেশার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করলে অনেক বিপথগামিতা থেকেই নিরাপদ থাকা সম্ভব হয়।

সর্বোপরি, মনকে সর্বদা ভালো কাজে ব্যস্ত রাখা এবং সৎসঙ্গ বজায় রাখা আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। নিয়মিত ইবাদত-বন্দেগি, দানসদকা এবং ধর্মীয় অনুশাসন চর্চার মাধ্যমে মানুষ তার কুপ্রবৃত্তি দমন করতে সক্ষম হয়। এই আত্মিক অনুশীলনের ফলে ধীরে ধীরে নিষিদ্ধ বিষয়ের প্রতি আকর্ষণ কমে আসে এবং জীবন மீண்டும் একটি সুস্থ, সুন্দর ও মানসিক শান্তি পূর্ণ পথে ফিরে আসে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: