শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকায় গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন, ছাদে আটকা পড়েছে ৭০ জন শ্রমিক একজন বাংলাদেশির শরীরে জীবন্ত প্রাণী প্রবেশ নিয়ে বিরল চিকিৎসাগত অনুসন্ধান দত্তকের নামে ফেসবুকে শিশু কেনাবেচা, কীভাবে চলছে এই চক্র ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট ‘কুঠার’ দিয়ে প্রধান পাইলটকে আঘাত করেন: আরব আমিরাত কোনো আশা নেই, তবুও কেন মানুষ সম্পর্কে দিনের পর দিন থেকে যায় এনআইডি-পাসপোর্টের মতো অনলাইনে করতে হবে বিয়ের নিবন্ধন: আইনমন্ত্রী জার্মানিতে পড়ার স্বপ্ন যাঁদের জেনে নিন আবেদন, ভিসা ও খরচের খুঁটিনাটি এক উঠানে সকাল পর্যন্ত রাখা হয় চার খাটিয়া, পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন অভিষেক–তিলকের ঝড়ে পাকিস্তানকে হারাল ভারত, জিতল সোনা

দত্তকের নামে ফেসবুকে শিশু কেনাবেচা, কীভাবে চলছে এই চক্র

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি সক্রিয় মানব পাচারকারী চক্র, যারা আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শিশুদের দত্তক নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ কেনাবেচায় লিপ্ত রয়েছে। একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই ভয়ংকর অপরাধমূলক কার্যক্রমের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। মূলত নিঃসন্তান দম্পতি বা শিশুদের লালন-পালনে আগ্রহী ব্যক্তিদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুকৌশলে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফেসবুকে বিভিন্ন নামে খোলা গ্রুপ ও পেজ ব্যবহার করে এই অবৈধ শিশু ব্যবসার মূল জাল বিস্তার করা হয়েছে। এসব প্ল্যাটফর্মে প্রথমে নানা প্রলোভন দেখিয়ে আগ্রহী ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয় এবং পরবর্তীতে গোপন মেসেঞ্জার বা মুঠোফোনের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের চূড়ান্ত দরকষাকষি চলে। সমাজের অসচেতনতার সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধ এই অপরাধ চক্রটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে শিশুদের এক হাত থেকে অন্য হাতে হস্তান্তর করছে।

আইন অনুযায়ী দেশে শিশু দত্তক দেওয়ার নির্দিষ্ট ও কঠোর আইনি প্রক্রিয়া থাকলেও এই চক্রের সদস্যরা কোনো নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। তারা আইনি জটিলতা এড়ানোর নামে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে দ্রুত শিশু হস্তান্তরের আশ্বাস দেয় এবং এর বিনিময়ে হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের নগদ অর্থ। ফলে আইনি সুরক্ষার বাইরে গিয়ে এসব শিশু চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে এবং অনেক সময় তাদের পাচার কিংবা অপব্যবহারের আশঙ্কাও বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এমন অপব্যবহার রোধে এবং শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে এ ধরনের অবৈধ চক্রের প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে সচেতনতামূলক প্রচার এবং সাইবার অপরাধ দমনে আরও বেশি তৎপর হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: