সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
প্রীতম–শেহতাজের বিবাহবিচ্ছেদ হরমুজে মার্কিন তত্ত্বাবধানে পরিচালিত রুট ব্যবহারকারী জাহাজকে ইরানের সতর্কবার্তা সালমান মুক্তাদিরকে মারধরের চেষ্টা এবং রাষ্ট্রপতির সোফায় প্রধানমন্ত্রীর বসার নেপথ্যে কী? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করবে প্রশাসন, তদন্ত কমিটি গঠন চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের প্রতিযোগিতায় তিন পরাশক্তি নতুন ঋণ পর্যালোচনায় আসছে আইএমএফ মা-বাবা, সাদিক ডেকে ডেকে মাতিয়ে রাখে শালিকজোড়া নতুন হুমকি, ব্রিটিশ ঘাঁটিতে মোতায়েন সব দূরপাল্লার বোমারু বিমান সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র সৌদির সমর্থনে হুতিদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ঘোষণা ইয়েমেন সরকারের একটি চাকরির পেছনে ১,৪৩০ জন! সরকারি চাকরিতে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র

নামের মিলে ১০ মাস ধরে কারাগারে, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

নামের মিল থাকার কারণে ভুলের শিকার হয়ে প্রায় দশ মাস ধরে কারাভোগ করছেন এক ব্যক্তি। প্রকৃত অপরাধীর পরিবর্তে তাকে কারাগারে আটকে রাখার এই ঘটনাটি আদালতের নজরে আসার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিচারপ্রার্থী ওই ব্যক্তির পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। অবশেষে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশuায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন ভুক্তভোগীর স্বজনেরা।

আদালতে দাখিল করা রিট আবেদনে ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ২ নম্বর কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দেওয়া একটি প্রত্যয়নপত্র যুক্ত করা হয়েছে। এই নথিপত্র এবং অন্যান্য কাগজপত্রে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, বর্তমানে যিনি কারাগারে বন্দি আছেন তিনি প্রকৃত অপরাধী নন। মূলত অপরাধীর সঙ্গে নাম এবং আংশिक ঠিকানার মিল থাকার ফলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে উচ্চ আদালত এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে একটি নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ judiciaire বা প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই আদেশের ফলে নিরপরাধ ওই ব্যক্তির কারামুক্তির পথ এবং ভুলের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নামের ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের এই ধরনের ভোগান্তি বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে যদি ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া না হয়, তবে তা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে। দেশজুড়ে এমন বহু ঘটনা ঘটে থাকে যেখানে সঠিক পরিচয়ের অভাবে নিরাপরাধ মানুষ বছরের পর বছর কারাগারে কাটান, যা রোধে আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: