সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
সৌদির আকাশসীমা বন্ধ: ঢাকায় ৪৮৫১ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত, ২৮টি ফ্লাইটের যাত্রাসূচিতে প্রভাব পুরোনো ফ্যাসিবাদ নতুন করে ফিরে আসছে: সাদিক কায়েম কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পলাতক নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার স্বাস্থ্য-শিক্ষাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা করতে কানাডাকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জ্বালানির বাড়তি খরচের চাপ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধসহ ৫ দাবি ওলামা মাশায়েখের ৬৪ জেলায় কনস্টেবল নিয়োগ দেবে পুলিশ, এসএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ বিএনপির নেতাকর্মীদের ফ্যাসিবাদী আচরণ না করার আহ্বান রিজভীর ব্যাংককে শুরু আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা: সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরবে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ ২১ জানুয়ারি

জ্বালানির বাড়তি খরচের চাপ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে যে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে, তা সফলভাবে মোকাবিলা করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি জ্বালানি খাতের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামগ্রিক আমদানিতে যে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে, তা হ্রাসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখতে বিদেশি সহায়তার বিকল্প নেই।

বিশ্বব্যাংকের মতো বৈশ্বিক ঋণদানকারী সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদার করার মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা কিংবা পলিসি লোন পাওয়ার চেষ্টা করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে বিশ্বব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের কাছে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টেকসই সংস্কারের জন্য রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। দেশের উৎপাদন খাত ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় রাখতে এই মুহূর্তে বৈদেশিক সহায়তার ছাড় ত্বরান্বিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংক অতীতেও বাংলাদেশের বিভিন্ন সংকটকালীন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে এবং বর্তমান জ্বালানিসংকটেও তাদের ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সহায়তার অর্থ মূলত দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, বিকল্প জ্বালানির উৎস সন্ধান এবং নিয়মিত আমদানির অর্থ পরিশোধে ব্যবহার করা হতে পারে। সরকারের লক্ষ্য হলো এই আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে সাময়িক সংকট কাটিয়ে দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি খাতকে আরও বেশি স্বাবলম্বী করে তোলা।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশ্বব্যাংক বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার এই সহায়তা কেবল বর্তমান চাপ সামলাতেই সাহায্য করবে না, বরং ভবিষ্যতে এ ধরনের বৈশ্বিক ধাক্কা মোকাবিলায় দেশের অর্থনীতিকে আরও বেশি প্রতিরোধী করে তুলবে। তবে এই ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে সুদের হার এবং শর্তগুলোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার মাধ্যমে দ্রুতই এই সহযোগিতা চূড়ান্ত রূপ পাবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: