শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
স্বপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষ্য নির্ধারণ ও কঠোর পরিশ্রম জরুরি: প্রতিমন্ত্রী হাবিব চাঁদাবাজি রোধে নতুন আইনের চিন্তা সরকারের ৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ পেলেন চরফ্যাশনের ইমাম হাসপাতাল থেকে ফের সার্কিট হাউসে চুয়েট ভিসি, শাটডাউনে ফাঁকা ক্যাম্পাস ইতিহাসে এই প্রথম দুর্গাপূজায় ৭০ লাখ টাকা অনুদান দিল ঢাকা জেলা পরিষদ নতুন ঋণে শর্ত থাকবে, আলোচনা ইতিবাচক সীমান্তের ১৮০০ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা জানালেন বিজিবি মহাপরিচালক রাজস্ব আদায় না বাড়ায়, বাড়ছে ঋণনির্ভরতা চাঁদাবাজিতে ভুক্তভোগী মামলা না করলে ,পুলিশ মামলা করতে পারবে খাদ্যনিরাপত্তায় নতুন পথ দেখাচ্ছে ইউএইচটি প্রযুক্তি

হাসপাতাল থেকে ফের সার্কিট হাউসে চুয়েট ভিসি, শাটডাউনে ফাঁকা ক্যাম্পাস

শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দুই দিনের চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ শেষে পুনরায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ফিরে গেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সম্প্রতি দুপুরে হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় এবং এরপর তিনি সার্কিট হাউসে গিয়ে অবস্থান নেন। এর আগে নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে সার্কিট হাউস থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

এর আগে ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর প্রশাসনিক ভবন-২-এ নিজের কার্যালয়ে গেলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এর ফলে দীর্ঘ প্রায় ত্রিশ ঘণ্টা ধরে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে বাধ্য হন উপাচার্য। পরবর্তীতে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। মানসিক ও শারীরিক ধকলের কারণে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষদিক থেকেই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একটি অংশের আন্দোলন চলছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় স্বপদে বহাল এবং বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমের নিয়োগ বাতিল করার দাবিতে এই আন্দোলন গড়ে উঠেছে। এই বিরোধের জেরে ক্যাম্পাসে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে, যার ফলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে এখন স্থবিরতা বিরাজ করছে।

এদিকে উপাচার্য পরিবর্তন ও নিয়োগের এই জটিল ইস্যুটি নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মহলের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হলেও এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি অংশের এই আন্দোলনে সম্পৃক্ততার কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিয়মিত কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: