সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
শুধু জিপিএ-৫ নয়, শুদ্ধাচার ও স্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দাও: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নেতা-কর্মী নিয়ে প্রেসক্লাবে ইশরাক হোসেন, সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন আধঘণ্টা আগেই নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রেসক্লাবে এলেন ইশরাক হোসেন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিতে আবার নির্দেশ দিলেন আসামের হাইকোর্ট ইশরাকের পদত্যাগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী জাতি, ধর্ম, বর্ণের মধ্যে বিভেদ হতে দেব না : ড. মঈন খান ওএমএসের চাল-আটা বিক্রির বরাদ্দ হ্রাসে খাদ্যনিরাপত্তা নেটওয়ার্কের উদ্বেগ বদলে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো, চালু হচ্ছে এআই বিভাগ মুফতি আমির হামজার মাহফিলের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন, মুজিবুর রহমানের ক্ষোভ বিএনপি জুলাইকে ধারণ করে: প্রধানমন্ত্রী

ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিতে আবার নির্দেশ দিলেন আসামের হাইকোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আসামের নগাঁও জেলার চার নম্বর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে মমতাজ বেগম নামের এক গৃহবধূকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় গত জুনের দিকে ওই গৃহবধূকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা যায়। এই আইনি প্রক্রিয়ার ত্রুটি ও ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

এই ঘটনার পর মমতাজ বেগমের পরিবার ও আইজীবীরা আদালতের দ্বারস্থ হন এবং বিষয়টি নিয়ে তীব্র আইনি লড়াই শুরু করেন। তারা আদালতকে জানান যে মমতাজ বেগম প্রকৃতপক্ষে ভারতেরই নাগরিক এবং তাকে ভুলবশত বা অন্যায়ভাবে ভিন্‌দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে আদালত এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আসামের হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে এই ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। আদালতের এই রায়ের ফলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত গৃহবধূকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতির ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। আদালতের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারী ন্যায়বিচার পাবেন এবং খুব শীঘ্রই নিজ পরিবারে ফিরে আসতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: