মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
প্রযুক্তি ডেস্ক: আধুনিক প্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার আমাদের কর্মজীবনকে আমূল বদলে দিচ্ছে। রায়হানের মতো অনেক পেশাজীবীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে একটি বড় প্রশ্ন জোরালোভাবে সামনে আসছে। প্রযুক্তি যেখানে দাবি করে যে এটি কম সময়ে বড় ও জটিল কাজ সম্পন্ন করতে পারে, সেখানে বাস্তবে মানুষের কাজের পরিধি ও ব্যস্ততা যেন আরও বেড়ে গেছে।
সাধারণভাবে মানুষের প্রত্যাশা ছিল যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ফলে কর্মঘণ্টা হ্রাস পাবে এবং মানুষ কাজের পাশাপাশি পর্যাপ্ত অবসর সময় পাবে। কিন্তু বাস্তবে এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এবং এআই টুলগুলো আসার পর উৎপাদনশীলতার লক্ষ্যমাত্রা অনেক বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে কর্মীদের কাঁধে আরও বেশি দায়িত্ব এসে পড়ছে।
কর্মক্ষেত্রে এই নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের কারণে একই সঙ্গে বহুবিধ কাজ করার অদৃশ্য মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কর্মীদের কাছ থেকে আগের তুলনায় অনেক কম সময়ে অধিক আউটপুট আশা করছে। এর ফলে প্রযুক্তির সুফল ভোগ করার পরিবর্তে কর্মীরা প্রায়ই অতিরিক্ত ক্লান্তি ও মানসিক চাপের শিকার হচ্ছেন।
প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলেও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি ও অবসর কেন মিলছে না, তা নিয়ে এখন বিশদ আলোচনা শুরু হয়েছে। কাজের গতি ও পরিমাণ দ্রুত বাড়ার কারণে মানব জীবনের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে নানা ধরনের প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি হচ্ছে।