বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
শাবানা কেন অভিনয় ছেড়েছিলেন হাঁটুব্যথায় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন কী, কতটা উপকারী শ্যামনগরে সুন্দরবন উপকূলে ২১০টি ম্যানগ্রোভের চারা রোপণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ‘বাধা উপেক্ষা করে’ আমির হামজার তাফসির মাহফিল সম্পন্ন আসামে দুই দিনে বাংলাভাষী মুসলিমদের ১১ শতাধিক বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিল সরকার ভৈরবে ফিরছে বিতর্কচর্চার সুদিন ৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসবেন না —রাহুলকে অমিত শাহর কটাক্ষ কওমি ঘরানার ৭ দলের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘সমমনা ইসলামী দল’ সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে পাঁচ এমপির সংবাদ সম্মেলন নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করবেন না, সরকারকে বিরোধীদলীয় নেতা

চুয়াডাঙ্গায় সারের ৪৫ ডিলারের মধ্যে ৪২ জনই দলীয় লোক, অভিযোগ দুই এমপির

রাজনীতি ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গা জেলায় নতুন করে নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) সার ডিলারদের তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম ও রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেন সংশ্লিষ্ট এলাকার দুই সংসদ সদস্য। তাদের দাবি, জেলার চার উপজেলায় মোট ৪৫ জন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হলেও এর মধ্যে ৪২ জনই সরাসরি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও ডিলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের মতো অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি বড় অংশ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পদধারী শীর্ষ নেতা কিংবা তাদের স্ত্রী ও নিকটাত্মীয়। এমনকি বিগত সরকারের আমলে সুবিধাভোগী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে ডিলারশিপ নীতিমালা পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এই দলীয়করণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায় বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল অভিযোগ করে বলেন, অতীতে যারা সার ডিলারের দায়িত্ব পালন করেছেন তারা কখনোই সরাসরি দলীয় কোনো বড় পদে ছিলেন না। কিন্তু বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অতীতের সমস্ত অনিয়মের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে জনপ্রতিনিধিদের পাশ কাটিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে এই দলীয়করণ নিশ্চিত করতেই ডিলার নিয়োগের নীতিমালা পরিবর্তন করা হয়েছিল।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন তার বক্তব্যে বলেন, ডিলারশিপ পাওয়া ব্যক্তিদের অনেকেই প্রকৃত ব্যবসায়ী নন এবং নথিপত্র যাচাই করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার জন্য নিয়োগ কমিটির প্রধান তথা জেলা প্রশাসক এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতারাই দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আজিজুর রহমানসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: