শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ধরা হচ্ছে ইলিশ, সরকারি সহায়তা পাননি কোনো জেলে সরকারকে সময় না দিয়ে বিরোধিতা করছে বিরোধী দল: মনির সরকারের আচরণে মনে হচ্ছে ‘ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি’: জামায়াত নেতা আযাদ এমপির ভাতিজা পরিচয়ে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা বাংলাদেশ ম্যাচের কভেন্ট্রি, ইংল্যান্ডের ব্রুক—আরও যাঁরা আছেন দুর্ভাগাদের তালিকায় জনগণের ভোট ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে: শফিকুর রহমান শিবির একটি গুপ্ত সংগঠন, হুংকার দিয়ে লাভ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর জান্নাতে যাওয়া: জামায়াত আমির ঠাকুরগাঁওকে মাগুরা বানাবেন না, নির্বাচন হোক ঈদ উৎসবের মতো: আব্দুল হালিম সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের পাশে প্রাইম ব্যাংক ও রানার মোটরস

বাংলাদেশ ম্যাচের কভেন্ট্রি, ইংল্যান্ডের ব্রুক—আরও যাঁরা আছেন দুর্ভাগাদের তালিকায়

খেলা ডেস্ক: সম্প্রতি রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে রেকর্ড ৮৫৯ রানের এক অবিশ্বাস্য রানবন্যার দেখা মিলেছে। এই ম্যাচে লঙ্কানদের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের রেকর্ড গড়া সংগ্রহ করেও শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়তে হয়েছে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে। তবে এই হারের রাতে ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ব্যক্তিগত অর্জনে এক ঐতিহাসিক অথচ বিব্রতকর রেকর্ডের জন্ম দিয়েছেন। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পরাজিত দলের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস খেলার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড এখন তাঁর নামের পাশে যুক্ত হয়েছে।

ম্যাচটিতে দারুণ ছন্দে থেকে ১১৬ বলে ২১টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ২০২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন হ্যারি ব্রুক। এর মাধ্যমে ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথম কোনো ক্রিকেটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানোর পরও বিজয়ী দলের হাসিমুখ দেখতে না পারার লজ্জাজনক রেকর্ডের মালিক হয়েছেন তিনি। এই তালিকায় ব্রুকের ঠিক পরেই অবস্থান করছেন জিম্বাবুয়ের সাবেক ব্যাটার চার্লস কভেন্ট্রি। তিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন, যা সে সময় দলের পরাজয় আটকাতে পারেনি।

ওয়ানডে ফরম্যাটে ব্যক্তিগত ১৮০ বা তার বেশি রান করার পরও হারের ম্যাচে মাঠ ছাড়ার এমন ঘটনা এর আগেও মাত্র কয়েকবার ঘটেছে। ২০২১ সালে জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের তারকা ওপেনার ফখর জামান মাত্র ৭ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন এবং সেই ম্যাচেও তার দল পরাজিত হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে স্কটিশ ব্যাটার জর্জ মানসি ১৯১ রান করেও জয়ের স্বাদ নিতে পারেননি। এর আগে ২০০৭ সালে হ্যামিল্টনে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ১৮১ রানের ইনিংস খেলেও হেইডেনকে পরাজয়ের তিক্ততা সইতে হয়েছিল।

রাওয়ালপিন্ডির এই স্মরণীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রেখেছেন দলটির মিডল অর্ডার ব্যাটার জানিথ লিয়ানাগে। শেষদিকে মাত্র ২৭ বলে ৬১ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস খেলে তিনি লঙ্কানদের ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের কৃতিত্ব এনে দেন। এই রোমাঞ্চকর জয়ের ফলে শ্রীলঙ্কা যেমন নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়েছে, তেমনই ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরি ম্লান হয়ে গেছে রেকর্ড বইয়ের পাতায়।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: