সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তিন ফাঁদে গভীর সংকটে অর্থনীতি, পরিত্রাণের পথ কী বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের নিলামের ফাঁকে জেনে নিন ডি–থ্রি কী এবং কেন বিগ ব্যাশে দল পেলেন মোস্তাফিজ ডি থ্রি ট্রফির নিলামে সবচেয়ে দামি তানজিদ, দেড় কোটির ঘরে মেহেদী-শান্ত কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন, জুলাইয়ে চালু আমু-শাজাহানসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের হেভিওয়েট নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ভারতে প্রবেশ প্রায় বন্ধ, শেরপুর সীমান্তে আটকে পড়া হাতিগুলোর কী হবে? ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধনে ফেরতের নির্দেশ ‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা

কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন, জুলাইয়ে চালু

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণ প্রকল্পের সামগ্রিক অবকাঠামোগত কাজ ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এগিয়ে গেছে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, এই বর্ধিত অংশের ভৌত নির্মাণকাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় পঁচাশি শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সব কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হলে আগামী বছরের জুলাইয়ের শুরুতে এই পথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে।

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারির দিকে পরীক্ষামূলকভাবে মতিঝিল থেকে কমলাপুর রুটে মেট্রোরেল চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাড়া আদায় ব্যবস্থা, সিগন্যালিং যন্ত্রপাতি এবং লিফট ও এসকেলেটর আমদানিতে কিছুটা সময় লাগার কারণে চূড়ান্ত চালুর সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানে মতিঝিল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত উড়ালসড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে এখন রেললাইন বসানো এবং বৈদ্যুতিক তার টানার কাজ জোরেশোরে চলছে।

এদিকে মতিঝিল স্টেশন পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর থেকেই দৈনিক যাত্রীর সংখ্যা আশানুরূপভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ এই সেবা গ্রহণ করছেন। কমলাপুর পর্যন্ত এই রুট পুরোপুরি চালু হলে দেশের বৃহত্তম এই রেলওয়ে স্টেশনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হবে, যার ফলে দৈনিক যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা প্রায় পৌনে সাত লাখে উন্নীত হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন আসার পাশাপাশি সড়কে যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কমলাপুর রেলস্টেশনের সঙ্গে মেট্রোরেলের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ট্রেনযাত্রীরা অত্যন্ত দ্রুত ও সহজে শহরের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবেন। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা লাখ লাখ মানুষ এই সুবিধার আওতায় আসবেন। সব মিলিয়ে, এই সম্প্রসারিত অংশ চালু হলে রাজধানীর ট্রাফিক জ্যামের তীব্রতা কমার পাশাপাশি সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন গতি আসবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: