সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: প্রচারণা শেষ আজই, বিজিবি মোতায়েন বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ জেলা শহরে কত পুকুর, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তদন্তের দাবি শ্যালকের অবৈধ সম্পদের মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক এসবিপ্রধান মনিরুল সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যা জানাল পরিবেশ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন?’ আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি

শ্যালকের অবৈধ সম্পদের মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক এসবিপ্রধান মনিরুল

অপরাধ ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক পুলিশের বিশেষ শাখার সাবেক প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামকে আসামি করে একটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে। তাঁর শ্যালক রেজাউল আলম শাহীনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দুদকের অনুসন্ধানে এই দুর্নীতির সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে কমিশন যাচাই-বাছাই করে মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয়ের উৎস ও ব্যাংক হিসাবের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিল তদন্ত দল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মনিরুল ইসলামের শ্যালক রেজাউল আলম শাহীনের নামে প্রায় সাড়ে তেইশ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে এক হাজার কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিভিন্ন কৌশলে বৈধ করার জন্যই এসব লেনদেন করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এসব অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতে গিয়ে দুদক কর্মকর্তা চোখ কপালে ওঠার উপক্রম হয়।

এই পুরো দুর্নীতি প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে মনিরুল ইসলামের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানাকেও আসামি করা হয়েছে। এছাড়া রেজাউল আলম শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার নামেও পৃথক আরেকটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। সানজিদার ব্যাংক হিসাবগুলোতেও প্রায় আটান্ন কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন এবং পনেরো কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। মূলত মূল অভিযুক্তদের দুর্নীতির অর্থ আড়াল করতেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে এই সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

দুদকের নিয়োজিত অনুসন্ধান দলের প্রধান ও উপপরিচালক এই মামলাগুলোর অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আদালতে এই মামলাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের এমন ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: