শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
প্রথমবারের মতো স্পর্শনির্ভর পর্দার ম্যাকবুক ল্যাপটপ আনার ঘোষণা দিল অ্যাপল বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় বেকো কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয় ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয় শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং রুমিন ফারহানার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা: সেই ওসিকে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নোটিশ

এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের আসন্ন সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী আবদুল এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের অভিযোগ তুলেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স ও তার সহযোগীরা। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য যাচাই প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই অভিযোগের পক্ষে কোনো সত্যতা বা প্রমাণ নেই। ডেমোক্রেটিক দলের প্রাথমিক নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির থেকে এমন দাবি প্রচার করা হচ্ছে। তবে পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অভিযুক্ত ওই সংগঠনের সঙ্গে এই প্রার্থীর সরাসরি কোনো সম্পর্ক বা সমর্থনের অঙ্গীকারের নজির নেই।

মিসরীয় বংশোদ্ভূত এবং মিশিগানে জন্ম নেওয়া মুসলিম প্রার্থী এল-সাইদকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। তার পুরো আরবি নাম এবং ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে সমালোচনা করেছেন প্রতিপক্ষরা। রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলো দাবি করছে যে, ইসলামি চরমপন্থার সঙ্গে তার বা তার পরিবারের যোগসূত্র রয়েছে। তবে এসব প্রচারণাকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তার সমর্থক ও বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী।

ইসলামি অধিকার সুরক্ষা সংগঠনগুলোর মতে, এই ধরনের আক্রমণ মূলত বর্ণবাদী ও ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। মিশিগানে আরব বংশোদ্ভূত মানুষের বড় একটি জনগোষ্ঠীর বসবাস থাকায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই সম্প্রদায়কে বারবার কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে বিতর্কিত গোষ্ঠীর কৃত্রিম সম্পর্ক জুড়ে দিয়ে পুরো সম্প্রদায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর পুরোনো কৌশল এটি।

অন্যদিকে, মাইক রজার্সের প্রচারশিবিরের দাবি, এল-সাইদের অতীতের কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য এবং নিবন্ধ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০১১ সালে মিসরের রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে লেখা একটি নিবন্ধ এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তার বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে রিপাবলিকান পার্টির একাংশ মনে করে, প্রার্থীর প্রীতি বা বংশপরিচয় নয়, বরং ভোটারদের কাছে জনকল্যাণমূলক নীতি ও স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধানই প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে আবদুল এল-সাইদ জানিয়েছেন, বিরোধীরা মূল সমস্যা থেকে নজর সরাতে বিভাজনের রাজনীতি করছেন। তিনি এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের পক্ষে কথা বলছেন যেখানে সবার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। তার মতে, প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে জনকল্যাণমূলক কোনো সদুত্তর না থাকায় তারা ধর্মের কার্ড ব্যবহার করে সমাজে অনাবশ্যক মেরুকরণ তৈরি করতে চাইছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: