শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
এক স্বৈরাচার বিদায় করে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখছি: নাহিদ ইসলাম যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ দুর্নীতি-লুটপাট-দখলদারত্বের পরিকল্পনা নিয়ে তারেক রহমান লন্ডন থেকে এসেছেন: নাহিদ ইসলাম শখের চাষে বাজিমাত, হাসানুরের খেতে বাহারি তরমুজ স্ট্যান্ড-আপ কমেডির মঞ্চ দখল করছে আবেদনময়ী এআই তরুণীরা শাহবাগে এনসিপির গণবিক্ষোভ সমাবেশ শুরু মালয়েশিয়ার কাছেও হারল বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

শখের চাষে বাজিমাত, হাসানুরের খেতে বাহারি তরমুজ

জাতীয় ডেস্ক: মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার এক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা শখের বশে ব্যতিক্রমী জাতের তরমুজ চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ভাবনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হাসানুর রহমান অত্যন্ত সীমিত পরিসরে এই চাষাবাদ শুরু করেন। তাঁর ক্ষেতের সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলছে হলুদ ও সবুজ রঙের বিদেশি জাতের তরমুজ। দূরদূরান্ত থেকে পথচারী ও দর্শনার্থীরা এই দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন এবং অনেকে মুঠোফোনে ছবি তুলে রাখছেন। প্রচলিত মৌসুমের বাইরে এবং ভিন্ন জাতের এই ফল চাষ এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।

উদ্যোক্তা হাসানুর রহমান মাত্র পাঁচ শতাংশ জমিতে ব্ল্যাকবেরি ও ইয়েলো মেলন জাতের তরমুজের চাষ করেছেন। এর মধ্যে বিশেষ করে হলুদ রঙের ইয়েলো মেলন ফলটি মানুষের নজর কেড়েছে সবচেয়ে বেশি। জেলা শহর থেকে বীজ সংগ্রহ করে তিনি নিজেই তা থেকে চারা তৈরি করেন। এরপর জমি প্রস্তুত করে সেখানে চারা রোপণ করেন এবং মাত্র দেড় মাসের মধ্যে গাছগুলোতে ফল ধরতে শুরু করে। মাচা পদ্ধতিতে চাষ করার কারণে ফলগুলো মাটির সংস্পর্শে নষ্ট হয়নি বরং সুন্দরভাবে ঝুলে থেকে পরিপূর্ণ রূপ পেয়েছে।

ঐতিহ্যবাহী চাষ পদ্ধতির বাইরে গিয়ে বাঁশের খুঁটি ও নাইলনের জালের সাহায্যে অভিনব মাচা তৈরি করেছেন এই তরুণ। সেই মাচায় গাছের লতা ছড়িয়ে দিয়ে চমৎকার এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। তরমুজের এমন ব্যতিক্রমী ক্ষেত দেখতে প্রতিদিনই এলাকার কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। স্থানীয় কৃষকদের অনেকেই এই নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতে নিজেরাও এমন চাষে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। স্থানীয় কৃষকদের মতে, সঠিক সহায়তা ও ভালো বাজারমূল্য নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগ এলাকার অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ তরুণ এই উদ্যোক্তার কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছে এবং তাঁকে সব ধরনের কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে। মহম্মদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইশরাত জাহান শিলু জানান, এই অঞ্চলে সাধারণত এই ধরনের ফল চাষের প্রচলন নেই, তবে হাসানুরের সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তাঁকে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য দেখে আগামী দিনে এলাকার অন্য কৃষকেরাও লাভজনক এই ফল চাষের দিকে ঝুঁকে পড়বেন বলে আশা করা হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: