শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ভুয়া লেখক, প্রকাশক, এআইয়ে লেখা বই—গ্রন্থাগার ঘিরে তোলপাড় তামিলনাড়ুতে প্রয়োজনের অর্ধেক শিক্ষক সরকারি মেডিকেলে ‘পৃথিবীর ধ্বংস ১৩ই নভেম্বর’- ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবারও বিতর্ক কেন? মাগুরায় ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলার জমজমাট আসর যুক্তরাষ্ট্রে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের গুঞ্জনে কী বলছে হোয়াইজ হাউজ? প্রতিটি দিন যেভাবে গতকালের চেয়ে উন্নত করবেন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর কাছে বড় নির্মাণকাজ চলছে- দেখা গেল স্যাটেলাইট চিত্রে ২০২৭ সালেই সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করবে টেসলা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহযোগিতা বাড়িয়েছে চীন প্রতারণার শাস্তি পেলেন ‘ক্লিকি পন্টিং’

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর কাছে বড় নির্মাণকাজ চলছে- দেখা গেল স্যাটেলাইট চিত্রে

নিউজ ডেস্ক: ইরানের অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন এবং সংরক্ষণের ঘাঁটিতে নতুন করে বড় ধরনের অবকাঠামোগত কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পাওয়া বেশ কিছু স্যাটেলাইট চিত্রের বিস্তারিত বিশ্লেষণে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ এবং দেশের সামগ্রিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে সামরিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে তেহরানের আশপাশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামরিকাঞ্চলগুলোতে নির্মাণকাজের গতি বেশ লক্ষণীয়। এসব ঘাঁটিতে কেবল মেরামতের কাজই চলছে না, বরং নতুন বাঙ্কার ও সংরক্ষণাগার তৈরির ইঙ্গিতও মিলছে। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরানের এই সামরিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর আগে গত বছরগুলোতে একাধিকবার বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এবং সংবাদমাধ্যমে ইরানি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। বিশেষ করে ইসরায়েলি বাহিনীর নিখুঁত বিমান হামলায় এসব অঞ্চলের কিছু স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল। বর্তমান পুনর্নির্মাণ প্রচেষ্টাকে তেহরানের প্রতিরক্ষা শক্তি পুনরুদ্ধারের একটি বড় কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা তাদের আঞ্চলিক প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়তা করবে।

তবে এই নতুন নির্মাণকাজ এবং মেরামতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত মন্তব্য বা ব্যাখ্যা দেয়নি ইরানি কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমা দেশগুলোর গোয়েন্দা বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা পুরো পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন। এই ধরনের সামরিক প্রস্তুতি ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: