শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ওরহান গাজী: ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাদিগন্ত সূচনায় ঐতিহাসিক নাম—চতুর্থ পর্ব আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ঘিরে ভারত কেন আলোচনায়? প্রতিদিন বাদাম খেলে বাড়ে মস্তিষ্কের ক্ষমতা একটি সাধারণ ঘরে প্রায় পরমশূন্য তাপমাত্রার কোনো বস্তু রাখলে কী ঘটবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার দিন সুন্দরবনে দস্যুতা: ‘দশ টাকার একটা নোট পেতে দিতে হয়েছে ২০ হাজার টাকা’ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া: ১৩ কোটি টাকার প্রকল্পের পানিতেও আর্সেনিক চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর: বাগানে এখনো বাহারি আম ভুয়া লেখক, প্রকাশক, এআইয়ে লেখা বই—গ্রন্থাগার ঘিরে তোলপাড় তামিলনাড়ুতে

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো ৭ নভেম্বর। ঐতিহাসিক এই দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে দেশের মানুষের কাছে পরিচিত। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি ও জনতার অভূতপূর্ব ঐক্যের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে এক নতুন মোড় পরিবর্তন ঘটেছিল। দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্মরণ করে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে দেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী পৃথকভাবে বাণী প্রদান করেছেন। তাঁরা বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান এবং এই দিনের নেপথ্যের তাৎপর্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক ধারা রক্ষা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করে আসছে। এই উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজনে বক্তারা ৭ নভেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেন।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই দিবসের বার্তা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলছেন, জাতীয় স্বার্থে ভেদাভেদ ভুলে সব মহলের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সংহতি বজায় রাখা জরুরি। ঐতিহাসিক এই দিনটি আমাদের দেশের স্বকীয়তা বজায় রাখতে অনুপ্রেরণা যুগিয়ে চলেছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: