শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গান ঘুমিয়ে মিলল ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ফ্রিতে ছুটি কাটানোর সুযোগ ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর, দেওয়া হবে মোবাইল বিলও সীমান্তের ওপার থেকেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে: তারেক রহমান জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বন্দীদশা থেকে যেভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রে এলেন জিয়াউর রহমান বেসরকারি সংস্থায় ৪০০ পদে নিয়োগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ’ গঠন করবে বিরোধী জোট বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা, নয়াপল্টনে নেতা-কর্মীদের ঢল

২০২৪ সালে ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছে এবং দেশ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি লাভ করেছে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের দেশপ্রেমিক সিপাহি ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চলা সব ধরনের চক্রান্ত সফলভাবে প্রতিহত করেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চক্রান্তের পথ ধরে একটি মহল মহাজোটের নামে একজোট হয়ে বাংলাদেশকে পুনরায় একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। পিলখানায় বিডিআর সদরদপ্তরে পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে দেশের সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল এবং জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল। তবে হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই অপশক্তির আরও একবার পতন ঘটে।

ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশের জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হতে হবে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা। বাংলাদেশের সার্বিক বাস্তবতায় এই জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা সবাইকে মনে-প্রাণে ধারণ করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল মূলত স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই আর ২০২৪ সালের সংগ্রাম ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনাকার্টা হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, যতবার দেশ এই পথরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের একটিমাত্র গর্বিত পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য ততদিন সমানভাবে প্রাসঙ্গিক থাকবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: