রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
এইচএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষণে পৌনে ১১ লাখ আবেদন, ছাড়াল গত দুই বছরের হিসাব সন্তান না হওয়ার আক্ষেপে ভাঙল ৭ বছরের সংসার ৩৫ টাকা দরে ধান ও ৪৯ টাকায় চাল সংগ্রহ করবে সরকার, লক্ষ্য ৮ লাখ টন ‘ফেরিটিন ফেস’ কি? চেহারা দেখে কি রক্তশূন্যতা শনাক্ত করা যায়? ভালো বেতনে চাকরি আর উপযুক্ত পাত্রে বিয়ের আশ্বাস, পড়েন পাচারকারীদের ফাঁদে গাজীপুরে আবারও শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ার শেল নিক্ষেপ নদীর ওপর ভাসমান লোহাপট্টির টিকে থাকার লড়াই এমবিবিএস-বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর, পুনঃপরীক্ষার শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন নিয়ম মানেন না এনএপিডির মহাপরিচালক কমিটি নেই, নেছারাবাদে বিএনপির তিন গ্রুপে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

সন্তান না হওয়ার আক্ষেপে ভাঙল ৭ বছরের সংসার

নিউজ ডেস্ক: বরিশালের হিজলা উপজেলায় সন্তান জন্মদানে অক্ষমতার অভিযোগ তুলে সাত বছরের সংসার ভেঙে দেওয়ার একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ এই সময়ে একসঙ্গে বসবাস করলেও কোনো সন্তান না হওয়ায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে আয়োজিত একটি সালিস বৈঠকে এই দাম্পত্য সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক ইতিটানা হয়। সালিস বৈঠকে স্ত্রীর শত আকুতি ও কান্না সত্ত্বেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন স্বামী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাসকাটা গ্রামে আয়োজিত ওই সালিসে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে স্বামী রনি খানের পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করেন স্ত্রী জান্নাতুল ইতি আক্তার। তিনি যেকোনো মূল্যে সংসার টিকিয়ে রাখার অনুরোধ জানান এবং বিচ্ছেদ না দেওয়ার জন্য আকুতি প্রকাশ করেন। কিন্তু স্বামী রনি সব অনুরোধ উপেক্ষা করে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। সালিস বৈঠকে হিজলা থানার উপপরিদর্শক আজগর আলীসহ এলাকার স্থানীয় মানুষেরাও উপস্থিত ছিলেন।

ইতির পরিবার অভিযোগ করেছে, সন্তান না হওয়ার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। একপর্যায়ে তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল। তবে চিকিৎসকদের মতে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে ইতি সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হতে পারেন। এর জন্য আইভিএফ পদ্ধতিতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচ হতে পারে বলে জানানো হয়।

চিকিৎসার এই খরচের ব্যবস্থা করতে ইতির বাবা নিজের পছন্দের জমি বিক্রি করার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও স্বামীর মন গলেনি এবং তিনি অনড় থাকেন। অন্যদিকে স্বামী রনি খানের দাবি, গত সাত বছরে স্ত্রীর চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি রাখেননি তিনি এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে জেনেছেন ইতি কখনোই মা হতে পারবেন না। সালিস বৈঠকে কোনো সুরাহা না হওয়ায় পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে আইনি সহায়তার জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: